February 13, 2026, 4:23 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিএনপির জয়যাত্রা: রাজনীতির দীর্ঘ পথরেখায় জামায়াত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফলের সারসংক্ষেপ মেহেরপুরের দুই আসনেই দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর জয় নিরঙ্কুশ বিজয়ে দেশবাসীকে বিএনপির শুভেচ্ছা, উদযাপনে সংযমের নির্দেশ কুষ্টিয়ার চার আসনের তিনটিতে জামায়াত, একটিতে বিএনপির জয় ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসাদুজ্জামানের জয় জাতীয় নির্বাচন ঘিরে বেনাপোলে যাত্রী চলাচল বন্ধ কুষ্টিয়ায় ভোটগ্রহণ শুরু, আসনভিত্তিক পরিসংখ্যানে নজর ভোটের আগের দিন কুষ্টিয়ায় কেন্দ্রসংলগ্ন এলাকায় ১০ হাতবোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের অবনমন: ইউনুস সরকারের আমলে চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা

চালকল মালিকদের চালবাজি বন্ধ করতে সরকারের চাল আমদানীর সিদ্ধান্ত

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
এখন ২৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে চাল আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। আগে এ শুল্কের হার ছিল ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার রোববার (২৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। সরকারিভাবে ৪ লাখ মেট্রিক টন এবং দেড় লাখ মেট্রিক টন জিটুজি পদ্ধতিতে এবং বেসরকারিভাবে চাল আমদানি করা হবে।
মন্ত্রীবলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করতেই আমরা বেসরকারিভাবে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগে ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক ছিল। এখন ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বৈধ লাইসেন্সধারীদের আগামী ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ দেয়া হবে।
দাম না বাড়ালে চাল না দেয়ার বিষয়ে মিলারদের হুমকি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার কারও হুমকিতে মাথানত করে না। আমরা মিলারদের চুক্তির জন্য পীড়াপীড়ি করিনি। তারা তাদের হুমকি নিয়ে থাকুক। প্রয়োজন আমরা কৃষকের কাছ থেকে ধান বেশি করে কিনব। যাতে করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। দরকার হলে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন চাল কিনব।
খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বেসরকারিভাবে যখন যতটুকু আমাদানি করা প্রয়োজন করব। বোরো মৌসুম আসার আগে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার সেটাও করব। বোরো মৌসুমে এ অবস্থা থাকলে আবার আমদানি করব।

তিনি বলেন, আমরা কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা শুরু করেছি। কিন্তু সরকার নির্ধারিত মূল্য মণপ্রতি ১ হাজার ৪০ টাকা। বাইরে কৃষকরা ধান বিক্রি করে লাভবান হলে সরকারের কাছে বিক্রি করে না। আজও বাইরে ১ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে ধান বিক্রি হচ্ছে। আমাদের চালের রেট বাণিজ্য, কৃষি, অর্থ, খাদ্য মন্ত্রণালয় মিলে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। সহনীয় রেট কী করা যায়, সেটার কোনো নীতিমালা নেই। ধানের দাম কমলে আমরা কৃষকের জন্য হাহাকার করি। আবার চালের দাম বাড়লেও হাহাকার করি।
স্ট্যান্ডার্ড রেট ঠিক করতে নীতিমালা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অবশ্যই একটা স্ট্যান্ডার্ড রেট থাকতে হবে। এ জন্য সহনশীল স্ট্যান্ডার্ড রেট তৈরি করতে হবে। গত ২৩ ডিসেম্বর বৈঠক হয়েছে। সেখানে বাণিজ্য, কৃষি, অর্থ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ছিলেন। আমরা কমিটিও করেছি। তারা নীতিমালা তৈরি করতে কাজ করবে। আর সেটা চূড়ান্ত হলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
আম্ফানের কারণে ধানের ফলন কম হয়েছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আবাদি জমি ঠিক থাকলেও আম্ফানের কারণে এবার ফলন কম হয়েছে। তবে দেশ ধান-চালের ঘাটতি আছে, তা বলছি না। আমাদের সরবরাহ সিস্টেম আছে। দেশে প্রায় ২০ হাজার মিল আছে। মিলপ্রতি গড়ে ৫০০ মণ ধান প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। কোথাও আবার ১ হাজার মণও থাকে। হিসাব করলে ৩০ লাখ মেট্রিকটন টন চাল থাকে। সবাই মনে করে আমাদের কমতি আছে। কিন্তু তা নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net