
ওয়াসিফ আল আবরার/
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই স্মৃতি’ লাল ব্যাজ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জুলাই শহীদদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং স্মৃতি ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। তিনি আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী শিক্ষার্থী-জনতা এবং তাঁদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেন।
এ সময় তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী সকল শহীদের প্রতিও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন
ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁদের আত্মত্যাগ ও অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মান জানানোর লক্ষ্যে ‘জুলাই স্মৃতি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে লাল ব্যাজ ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘটনাই নয়; এটি বৈষম্যহীন সমাজ, ন্যায়বিচার, মুক্তচিন্তা এবং জবাবদিহিতাভিত্তিক রাষ্ট্র নির্মাণের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রেরণা। এসব মূল্যবোধকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতিতে প্রতিফলিত করতে বর্তমান প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে।
ভাইস চ্যান্সেলর জানান, আগামী ১ আগস্ট ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা উপদেষ্টা উপস্থিত থাকবেন। তাঁর হাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জুলাই শহীদদের স্মরণে নির্মিতব্য স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি তাঁদের স্মৃতিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্মৃতি ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,রেজিস্টার প্রফেসর ড. মনজুরুল হক প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে ভাইস চ্যান্সেলর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে সকল বিভাগ, আবাসিক হল, ছাত্রসংগঠন ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি আধুনিক, নান্দনিক ও মডেল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা সম্ভব।
সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর : ড. আমানুর আমান,এম.ফিল (আইইউকে), পিএইচডি ( এনবিইউ- দার্জিলিং)
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: শাহনাজ আমান।
কার্যালয়:- থানা ট্রাফিক মোড়, কুষ্টিয়া।মোবাইল- ০১৭১৩-৯১৪৫৭০, ইমেইল: info.dailykushtia@gmail.com
ই-পেপার কপি