September 17, 2021, 9:39 pm

সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী বিয়ের দাওয়াতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত বয়োজোষ্ঠ ব্যক্তির সঙ্গে স্কুলছাত্রীর বিয়ে/আত্মহত্যার চেষ্টা খোকসায় সরকারের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও অর্জন শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত চলন্ত ট্রেন এ পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন এক প্রসূতি খোকসায় অ্যাম্বুলেন্স ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, শিশুসহ আহত- ৬ খোদ নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয়েই ঢোকা বন্ধ আফগান নারীদের ! কুষ্টিয়ায় করোনায় ২৪ ঘন্টায় মারা গেছে ৩ জন, শনাক্ত হার ১৫.২৮ শতাংশ ’উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়’ নয়, ‘উপজেলা পরিষদ কার্যালয়’/ নির্দেশ হাইকোর্টের অতিরিক্ত কাজের চাপ সামলে ভালো থাকবেন যেভাবে

করোনা/খুলনা বিভাগে আক্রান্ত ৫০০, শীর্ষে যশোর,সর্বনিম্নে মেহেরপুর

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
খুলনা বিভাগে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই পাওয়া যাচ্ছে বিভাগের ১০ জেলার কোন না কোন জেলায়। গতকাল (২৯ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০ জেলার সর্বশেষ রির্পোটে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০০ জন। এরমধ্যে ইতোমধ্যে মারা গেছেন ৮ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৯২ জন ও সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন ১৯৭ জন।
শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর এ তথ্য জানায়।
এতে দেখা যায়, শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বিভাগে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৪৭৬ জন। সন্ধ্যায় খুমেকের পিসিআর ল্যাবে ৬ জন ও কুষ্টিয়া মেডিকেল করেজের পিসিআর ল্যাবে ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
খুলনায় শিল্পাঞ্চল পুলিশের একজন সদস্য (২০) আক্রান্ত হয়েছেন। ইতোমধ্যে তাকে খুলনা করোনা হাসপাতালে (ডায়াবেটিক হাসপাতাল) ভর্তি করা হয়েছে। ঝিনাইদহের দুইজনের মধ্যে একজন সদরের, আরেকজন শৈলকূপা এলাকার। এছাড়া বাগেরহাট জেলার তিনজনের নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় তিনটি পিসিআর ল্যাব রয়েছে। এগুলো হলো, খুলনা মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাব, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পিসিআর ল্যাব ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব। বিভাগে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ১৯ মার্চ চুয়াডাঙ্গা জেলায়।
বিভাগের ১০ জেলার মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছে যশোরে জেলা ও সর্বনিম্নে রয়েছে মেহেরপুর জেলা। ইতোপূর্বে বিভাগের খুলনায় তিনজন, বাগেরহাটে দুইজন, নড়াইলে একজন, বাগেরহাটে একজন ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করোনায় মারা গেছেন।
গত ১০ মার্চ থেকে বিভাগের বিভিন্ন জেলার কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছিল ৩৬ হাজার ৫৮ জনকে। এর মধ্যে কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ ১৪ দিন পার হওয়ার পর ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে ২৯ হাজার ৭৮৮ জনকে। বাকিরা এখোনো কোয়ারেন্টিনে আছেন।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা বলেন, খুলনা বিভাগের প্রত্যেক জেলায় করোনায় মোকাবিলায় কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে। আক্রান্তদের উপসর্গের মাত্রা বেশি না থাকলে তাদের বাড়িতে চিকিৎসা করা হচ্ছে। আর উপসর্গ বেশি হলে হাসপাতালে এনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যারা সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরছেন তাদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে হতকাল রাতে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক তাপস কুমার সরকার জানান কুষ্টিয়ায় এই হঠাৎ ক্রমবৃদ্ধি শনাক্ত বয়ের ব্যাপার। তিনি অন্য জেলা থেকে কুষ্টিয়ায় আগত মানুষদের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার জন্য প্রশাসনকে আহবান জানান। তিনি জানান আন্তঃজেলা সংযোগ সৃষ্টির কারনের কুষ্টিয়ায় রোগী বাড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
  12345
20212223242526
27282930   
       
       
       
    123
       
     12
31      
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
© All rights reserved © 2021 dainikkushtia.net
Design & Developed BY Anamul Rasel