July 29, 2021, 3:24 pm

সংবাদ শিরোনাম :
আজ সাবেক এমপি ও পৌর মেয়র বদরুদ্দোজা গামার ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী বিশ্ব বাঘ দিবস আজ কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘন্টায় করোনায় ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৮.৫৪ শতাংশ গড়াই নদী থেকে অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে করোনা পরীক্ষায় ইচ্ছামতো টাকা আদায়ের অভিযোগ ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন দৌলতপুরে একই রাতে কৃষকের ৭টি বৈদ্যুতিক সেচ মোটর চুরি কুষ্টিয়ার তরুণ আলোকচিত্রী মোঃ জহির উদ্দিন আনন্দের সফলতা খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ২৪ ঘন্টায় ৩১ জনের মৃত্যু, সর্বোচ্চ শনাক্ত কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাস/কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৮, শনাক্ত ৪৯.০৩ শতাংশ দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান

হুমায়ুন আজাদ হত্যা/ ১৬ বছর ধরে বিচার কার্যক্রম চলছে

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
দেশের প্রধানতম প্রথা-বিরোধী প্রগতিবাদী লেখক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যার ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও দুটি মামলার বিচার কার্যক্রম শেষ হয়নি। হুমায়ুন আজাদ হত্যায় হওয়া দু’টি মামলা ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাকছুদা পারভীনের আদালতে বিচারাধীন।
এর মধ্যে হত্যা মামলায় আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্যের জন্য ও বিস্ফোরক মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। হত্যা মামলায় আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষী না দিলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হবে। হত্যা মামলায় ৫৮ সাক্ষীর মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৪১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আর বিস্ফোরক আইনের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ১০ জন।
এর মধ্যে হত্যা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ যথাযথভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করে রাষ্ট্রপক্ষ।
তাদের আশা, খুব শিগগির মামলাটির রায়ের জন্য দিন ধার্য হবে এবং আসামিদের সবোচ্চ সাজা হবে।
২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন হুমায়ুন আজাদ। তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরদিন হুমায়ুন আজাদের ভাই মঞ্জুর কবির রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। তিনি ২২ দিন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসা নেন। সবশেষ জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ১২ আগস্ট তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। হুমায়ুন আজাদ মারা যাওয়ার পর ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।
ঘটনার ৮ বছর পর ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল সিআইডির পরিদর্শক লুৎফর রহমান পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে হত্যা এবং বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের পৃথক দু’টি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
ওই মামলার আসামিরা হলেন- জেএমবির শুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগ্নে শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন, হাফিজ মাহমুদ ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। এর মধ্যে মিনহাজ ও আনোয়ার কারাগারে আছেন। তারা দু’জনই ঘটনায় সম্পৃক্ততার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ পলাতক। আর হাফিজ মারা গেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকার মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু আশা করছেন হত্যা মামলাটি দ্রুতই বিচার শেষে রায়ের জন্য আসবে।
তিনি বলেন, হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় আসামি পক্ষের সাফাই সাক্ষ্যের জন্য দিন ধার্য রয়েছে। পরবর্তী তারিখে আসামিরা সাফাই সাক্ষী না দিলে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করা হবে। এরপরই মামলার রায় ঘোষণা হবে।
আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে আশা করে তিনি বলেন, আমরা রাষ্ট্রপক্ষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের সর্বোচ্চ সাজার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।
আর বিস্ফোরক মামলার বিষয়ে আব্দুল্লাহ আবু বলেন, বিস্ফোরক মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। সাক্ষীদের আদালতে আনতে আমরা কাজ করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
       
       
    123
       
     12
31      
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
© All rights reserved © 2021 dainikkushtia.net
Design & Developed BY Anamul Rasel