July 29, 2021, 2:59 pm

সংবাদ শিরোনাম :
আজ সাবেক এমপি ও পৌর মেয়র বদরুদ্দোজা গামার ৪র্থ মৃত্যু বার্ষিকী বিশ্ব বাঘ দিবস আজ কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘন্টায় করোনায় ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৮.৫৪ শতাংশ গড়াই নদী থেকে অজ্ঞাত মহিলার লাশ উদ্ধার চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে করোনা পরীক্ষায় ইচ্ছামতো টাকা আদায়ের অভিযোগ ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন দৌলতপুরে একই রাতে কৃষকের ৭টি বৈদ্যুতিক সেচ মোটর চুরি কুষ্টিয়ার তরুণ আলোকচিত্রী মোঃ জহির উদ্দিন আনন্দের সফলতা খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ২৪ ঘন্টায় ৩১ জনের মৃত্যু, সর্বোচ্চ শনাক্ত কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাস/কুষ্টিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৮, শনাক্ত ৪৯.০৩ শতাংশ দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান

ধর্মীয় সংগঠনগুলোর বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্তই কাল হয়েছে /১৪ দল

দৈনিক কুষ্টিয় প্রতিবেদক/
ধর্মীয় সংগঠনগুলোর বিষয়ে সরকার ক=বারবার ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাদের সাথে সমজোতা করেছে এবং এসবই কাল হয়েছে। এমন মন্তব্য ১৪ দলের নেতৃবৃন্দের।
তারা মনে করছে সরকারের সমঝোতার কারণেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বারবার বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। তারা বর্তমান পরিস্থিতিকে রাজনীতির জন্য অশনি সংকেত মন্তব্য করে এ বিষয়ে কঠোর হতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন।
সোমবার (২৯ মার্চ) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের আলোচনা সভায় নেতারা এ মন্তব্য করেন।
১৪ দলের সমন্বয়ক ও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে এবং আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাসের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিদকার, গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, জাতীয় পার্টি-জেপি মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম ও কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান।

১৪ দলের নেতারা বলেন, হেফাজতের এ কর্মসূচি মোদিকে ঘিরে নয়, বঙ্গবন্ধু ও রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে তারা। কিন্তু এটি ঠেকাতে সরকার সক্রিয় হয়নি। ধর্মীয় সংগঠনগুলোর বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত যে সামনে বড় বিপদ ডেকে আনবে, সে বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করেছেন ১৪ দলের নেতারা। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুকে অবমাননাসহ এ সংক্রান্ত আইনের প্রয়োগ করা উচিত বলে মনে করেন তারা।

সভাপতির বক্তব্যে আমির হোসেন আমু বলেন, মোদির বিষয়টি তারা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। এর আড়ালে তারা অপ্রকাশ্যভাবে দিবসগুলো প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে। এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা মনে করি না। তারা সুযোগ পেলেই সাম্প্রদায়িকতার আশ্রয় গ্রহণ করে। এই সাম্প্রদায়িকতার স্লোগান পাকিস্তান থেকেই চলে আসছে। বারবার সাম্প্রদায়িকতার ওপর আশ্রয় নিয়ে দেশের ওপর আঘাত করতে চায় তারা। হেফাজতই হোক বা তাদের আড়ালে জামায়াত-শিবির কিংবা পাকিস্তানি শক্তি হোক, তারা একাত্তরের পরাজিত শক্তি।

তিনি বলেন, ‘এটাকে ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। কঠোর হস্তে তাদেরকে দমন করতে হবে। সরকারের আইন কঠিনভাবে তাদের ওপর প্রয়োগ করতে হবে। ১৪ দলের সভা থেকে আমরা এই সুপারিশ করছি।’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘হেফাজতের মধ্যে অধিকাংশই জামায়াতের লোক। মামুনুল হকের পিতা কে ছিল? তাদের অন্যরা কারা? আপস করে কখনো লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না। রাজনীতিতে আজ যেটা শুরু হয়েছে, তা অশনি সংকেত। এটা বন্ধ করতে না পারলে, আমাদের সমস্ত শক্তি নিয়ে নামতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সনদ দেই আর যেভাবেই যতই খুশি করার চেষ্টা করি, তারা কিন্তু তাদের রাজনৈতিক দর্শন থেকে সরবে না। তারা যেখানে আছে সেখানেই থাকবে। তাদেরকে খুশি করার কোনো সুযোগ নেই। রাজনীতির লক্ষ্যে পৌঁছাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘মোদির সফরকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করে হেফাজত দাঁড়িয়ে গেছে। তারা রাষ্ট্রীয় উদযাপনকে চ্যালেঞ্জ করেছে। রাষ্ট্রীয় উদযাপনকে বিনা বাধায় যেতে দেবে না।’

তিনি বলেন, ‘তাদের ভবিষ্যৎ কী তা ভাবা দরকার। আগামী দিনে জঙ্গিবাদের উত্থান হবে কি-না তা ভাবতে হবে। সমঝোতা কৌশলের নামে কখনো জামায়াতের সঙ্গে মিলেছি। কখনো রাগ করেছি। আজকে হেফাজতের সঙ্গে কখনো মিলে যাওয়া, কখনো রাগান্বিত দেখা যাচ্ছে। আমরা মৌলবাদী রাষ্ট্র হবো না অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হবো, সেটা ভাবতে হবে।’

জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার বলেন, ‘দেশে একটি নারকীয় তাণ্ডবলীলা দেখলাম। এটা আমরা দেখতে চাই না। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে আমরা নির্মূল করতে পারিনি। হেফাজতের আন্দোলনকে যৌক্তিক বলে প্রমাণ করেছে বিএনপি। এদের বিষয়ে চোখ বন্ধ করে থাকার সুযোগ নেই। দৃঢ় হস্তে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এদের বিরুদ্ধে ১৪ দলকে কর্মসূচিতে দিতে হবে।’

বৈঠকে ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে মোদির সাক্ষাৎ নিয়ে অনেক নেতা যেতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। এছাড়াও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়েও আলোচনা করে ১৪ দলের নেতারা। তারা মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
       
       
    123
       
     12
31      
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
© All rights reserved © 2021 dainikkushtia.net
Design & Developed BY Anamul Rasel