October 17, 2026, 3:54 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণির হাজার শিক্ষার্থীর নবীনবরণ মক্কার মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুই বাংলাদেশী নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর রূপপুরে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন, পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার যন্ত্রপাতি সমাবর্তনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সকল কমিটিকে নির্দেশনা উপাচার্যের কুষ্টিয়ায় জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি কুষ্টিয়ায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ইসির: প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি, শেষ হবে মে মাসে ডেঙ্গু: শুধু মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের সক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে? কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পুশইনের দুটি চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজাতে হবে: ইবি উপাচার্য

আন্দোলনকারীদেরকে ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানাল ইসলামী ঐক্যজোট

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আন্দোলনরত ছাত্রদের ঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী।
ছাত্রদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। এবার ঘরে ফিরে যাও। বাকি দাবিগুলো সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসে আদায় করার জন্য ছাত্রদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
প্রিয় মাতৃভূমির জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে ইসলামী ঐক্যজোট প্রস্তুত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে জহুর হোসেন হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান।
এ সময় জোটের মহাসচিব মাওলানা মনিরুজ্জামান রব্বানী, জোটের নেতা আমজাদ হোসেন খোকন, আসাদুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মাতৃভূমি রক্ষার জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করার কথা বলেছেন, তা হলে বর্তমান পরিস্থিতিতে কবে থেকে আপনারা মাঠে নামবেন? জবাবে মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ইসলামী ঐক্যজোট। তবে এই মুহূর্তে জোটের নেতারা রাজপথে নমতে রাজি নন। কেননা ছাত্রদের ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে রাজপথে লড়াই করবে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে। আশাকরি ছাত্ররা শিগগির ঘরে ফিরে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ছাত্রদের এই ন্যায্য আন্দোলন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোট দৃঢ় সমর্থন জানিয়ে আসছিলো। অহিংস এই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য আমরা বারবার সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছি। আমরা বলেছিলাম, ছাত্রদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনা করে তাদের দাবি বাস্তবায়ন না করলে ষড়যন্ত্রকারীরা কোমলমতি ছাত্রদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালাতে পারে। সরকারের সংস্থাগুলো বা সরকার এ কথাগুলো আমলে নেয়নি। জনসমর্থিত একটি ঐতিহাসিক আন্দোলনকে সহিংস আন্দোলনে পরিণত করে সমস্ত আন্দোলনকে রক্তাক্ত করে দেওয়া হলো। দুই শতাধিক মানুষ মৃত্যুবরণ করলো এবং আহত হলো কমপক্ষে আরও দুই হাজার। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ছাত্র, সাধারণ পথিক, পুলিশ ও শিশুসহ নানা পেশার মানুষ। এই মৃত্যুর দায় কার?

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net