August 27, 2026, 1:17 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মেহেরপুরে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে যুবতীর কব্জি কেটে নিল যুবক আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট/শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বাসস্থান ও ভবনের ব্যবহার নিয়ে কিছু প্রশ্ন ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু

পিআর পদ্ধতির নির্বাচন/পর্ব-১, জার্মানিতে সংসদে প্রতিনিধিত্ব পেতে হলে লাগবে ন্যূনতম ৫% ভোট

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন কী পদ্ধতিতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভিত্তিক, না কি আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক—তা নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই অনেক দেশকে উদাহরণ হিসেবে টানছেন। ইউরোপের অনেক দেশের কথা উঠে আসছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি অন্যতম এ ধরনের নির্বাচন পদ্ধতির গণতান্ত্রিক দেশকে নিয়ে লিখছি।
প্রথম পর্বে জার্মানির নির্বাচন ব্যবস্থা।
জার্মানিতে একটি দল যদি জাতীয়ভাবে ৫ শতাংশের কম ভোট পায়, তবে সেই দল সংসদে কোনো আসনই পায় না—এটাই তাদের পিআর (চৎড়ঢ়ড়ৎঃরড়হধষ জবঢ়ৎবংবহঃধঃরড়হ) বা আনুপাতিক পদ্ধতির কঠোর নিয়ম।
দুই স্তরের নির্বাচন ব্যবস্থা/
জার্মানির সংসদে (বুন্ডেসটাগ) মোট আসনের সংখ্যা স্থির নয়। তবে এর মধ্যে ২৯৯টি আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এমপি নির্বাচিত হন। ভোটাররা দুটি ব্যালটে ভোট দেন—একটিতে প্রার্থীকে, আরেকটিতে দলকে। এই দ্বিতীয় ব্যালটের ভোট অনুযায়ী জাতীয় পর্যায়ে প্রতিটি দলের আসন সংখ্যা নির্ধারিত হয়।
যদি কোনো দল সরাসরি ভোটে বেশি প্রার্থী জেতায়, আর জাতীয় ভোটেও ৫ শতাংশের বেশি পায়, তবে তারা বাড়তি আনুপাতিক আসনও পায়। তবে ৫ শতাংশের নিচে ভোট পেলে, সে দল সংসদে কোনো আসনই পায় না—চাইলেও নয়।
সংসদে আসন বাড়ে কমে ভোটের ভিত্তিতে/
বর্তমানে জার্মান বুন্ডেসটাগে এমপির সংখ্যা ৭৩০। এর মধ্যে ২৯৯ জন সরাসরি নির্বাচিত, বাকিরা দলীয় ভোটের ভিত্তিতে আসেন। এই সংখ্যা নির্বাচনভেদে ভিন্ন হতে পারে। নির্বাচনী ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি সচেতন কাঠামো।
চ্যান্সেলর নির্বাচনের প্রক্রিয়া/
বুন্ডেসটাগে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া দল বা জোটই সরকার গঠন করে। তারা মনোনয়ন দেয় চ্যান্সেলরের (প্রধানমন্ত্রীর)। বর্তমানে সিডিইউ/সিএসইউ ও এসপিডি’র জোট থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ফ্রেডরিখ মার্স।
রাজ্যগুলোর ভূমিকা: বুন্ডেসরাট/
জার্মান সংসদের উচ্চকক্ষ ‘বুন্ডেসরাট’। এটি ১৬টি ফেডারেল রাজ্যের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত। রাজ্য সরকারগুলো তাদের জনসংখ্যা অনুযায়ী ৩ থেকে ৬ জন প্রতিনিধি পাঠায়। আইন পাস ও বাজেট অনুমোদনে বুন্ডেসরাট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কেন এই পদ্ধতি?
এই মিশ্র পদ্ধতি (প্রার্থী ও দল উভয়ের ভোট) গণতন্ত্রে ভারসাম্য আনে বলে জার্মানির বিশ্বাস। এতে একদিকে সরাসরি জনপ্রিয় প্রার্থীরা নির্বাচিত হন, আবার জাতীয় পর্যায়ে দলীয় জনপ্রিয়তার প্রতিফলনও ঘটে। তবে মূল শর্ত একটাই—৫ শতাংশের নিচে ভোট পেলে কোনো আসন নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net