February 6, 2026, 9:56 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন/ গুম কমেছে, কিন্তু গণগ্রেপ্তার ও জামিন বঞ্চনা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ক্ষমতায়নের আড়ালে বিতর্ক—ভোটের রাজনীতিতে নারী প্রশ্ন কতটা প্রান্তিক ! গঙ্গার সঙ্কুচিত স্রোত, বিস্তৃত সংকট/ দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিবেশ ও জীবিকার দ্বিমুখী চাপ রপ্তানিতে ধসের সতর্ক সংকেত: সাত মাসে আয় কমেছে ৫৬ কোটি ডলার অপেশাদার কাজে ন্যুব্জ প্রাথমিক শিক্ষকতা/ নন-প্রফেশনাল চাপেই বার্নআউটের শেষ ধাপে ৯৩ শতাংশ শিক্ষক ঋণ দিয়ে সময় কেনা/অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনৈতিক দোটানা পূর্বাচলের সরকারি প্লট বরাদ্দ/ হাসিনা ১০ বছর, টিউলিপ ৪, রাদওয়ান-আজমিনার ৭ বছর কারাদণ্ড কুষ্টিয়ায় নির্বাচনী ‘দুধ-গোসল’: নৌকার একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে উঠলেন ধানের শীষের নতুন সদস্য! আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ নির্বাচন/কুষ্টিয়া-রাজবাড়িসহ সারাদেশে ৩৭ হাজার বিজিবির বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

কুষ্টিয়ায় পরকীয়া প্রেমের ঘটনায় হত্যা মামলায় নারীসহ দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় ১ নারীসহ দুজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রায় দেন জেলা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী।
সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলো জেলার দৌলতপুর উপজেলার হায়দার চরের সজীব হোসেন (২২), পিতা মোঃ আলমগীর হোসেন ও একই উপজেলার তাজপুর গ্রামের সীমা খাতুন (৩৮), স্বামী- মোঃ আফাজ উদ্দীন। প্রত্যেককেই ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন সুত্রে জানা যায় একই গ্রামের নাহারুল ইসলাম ২০১৮ সালের ২৪ জানুয়ারী দৌলতপুর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন যে, তার ছেলে মোঃ রনি ইসলাম ঐ দিন সন্ধ্যা অনুমান ৭.০০ টার সময় নিজ বড়ি হতে সোনাইকুন্ডি বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাইরে যেয়ে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি। তিনি সহ তার আত্মীয়-স্বজন অনুসন্ধান করতে থাকেন। ঘটনার প্রায় একমাস পর ১ ফেব্রæয়ারী দৌলতপুর উপজেলার ৬নং চিলমারী ইউনিয়নের উদয়নগর পদ্মা নদীর চরের ভিতর বালুচরে আধা পোতা অবস্থায় রনির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ২ ফ্রেব্্রুয়ারী কারোর নাম না উল্রেখে হত্যা মামলা দায়ের হয়। তবে এজাহারকারীর হত্যাকারী সম্বন্ধে সন্দেহের বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।
দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহদারা খান নিজেই মামলাটির তদন্ত বার নেন এবং ১৫ জানুয়ারী ২০১৯ সালে পেনাল কোডের ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়।
অভিযোগে জানা যায় আসামী সীমা খাতুনের স্বামী প্রবাসে থাকেন। সেই সুযোগে এজাহারকারীর ছেলে রনি ইসলামের সাথে সীমার একটি সম্পর্ক তৈরি হয়। এক পর্যায়ে সেটি শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয়। এসকল বিষয় রনি ফোনে ধারণ করে সীমা খাতুনকে ব্লাকমেইল করে শারীরিক সম্পর্ক করে এবং টাকা হাতিয়ে নেয়। আসামী সজীব একদিন রনিকে সীমা খাতুনের ঘর থেকে বের হতে দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে রনির সাথে সীমার সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারে। সীমা রনির উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য সজীবকে বলে তাকে উদয়নগর পদ্মা নদীর চরে নিয়ে গিয়ে আসামী সজীব সীমা খাতুনের দেয়া চার্জার লাইট দ্বারা অন্ডকোষে আঘাত করে এবং অন্য হাত দিয়ে গলা টিপে ধরে এবং পরবর্তীতে তার গলায় থাকা চাদর দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে রনি ইসলামকে হত্যা করে লাশ পদ্মা নদীর চরে পুতে রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net