June 16, 2026, 3:51 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
পুশইন-পুশব্যাক/ সীমান্তে মানবিক সংকট, কূটনৈতিক উদ্যোগই সমাধানের পথ শূন্যরেখায় তিন দিন আটকে থাকা ১২ জনকে পতাকা বৈঠকের পর ফেরত নিয়েছে বিএসএফ শূন্যরেখায় মানবিক সংকট/ অসুস্থ ১২ জন, জ্বরে কাতর আড়াই বছরের শিশু; ৩ দফা পুশইনের অভিযোগ দর্শনা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির সতর্কতায় ব্যর্থ মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামানো/অস্বস্তিকর সত্যের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশার সমীকরণ কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় অবস্থান বিজিবি–বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন: ১১ সিদ্ধান্তে শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-ভারত জনগণের সম্পর্ক আমার একমাত্র অগ্রাধিকার: দীনেশ ত্রিবেদী তিন লাল কার্ডের নাটকীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকোর প্রস্তাবিত বাজেটে ফিরল অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ

‘জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা/ ঢাকায় ৪ আটক: অস্ত্র, ড্রোন ও উগ্রবাদী বই উদ্ধার

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরানীগঞ্জে পৃথক অভিযানে চার যুবককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের দাবি, তারা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং রাজধানীতে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। অভিযানে তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ড্রোন, সামরিক পোশাক, বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ ও জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
আটক চারজন হলেন—মো. ইমরান চৌধুরী (২৯), মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫), রিপন হোসেন শেখ (২৮) ও আবু বক্কর (২৫)। ইমরান ও মোস্তাকিম দুই ভাই; তাদের বাড়ি হবিগঞ্জের মাধবপুরে। রিপনের বাড়ি নওগাঁর রাণীনগরে এবং আবু বক্করের বাড়ি রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে।
পুলিশ জানায়, সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ধারাবাহিক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। প্রথমে কামরাঙ্গীরচরের কয়লাঘাট এলাকার একটি বাসা থেকে ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে কেরানীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে মোস্তাকিম এবং কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর এলাকা থেকে রিপন ও আবু বক্করকে আটক করা হয়।
ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমারভিত্তিক রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’ (আরসা)-র সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (টিটিপি)-এর সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের দাবি, তারা রাজধানীতে সংঘবদ্ধভাবে নাশকতা ও গুপ্ত হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ উদ্দেশ্যে অস্ত্র ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয়েছিল বলেও জানানো হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামরিক পোশাকগুলো আরসা সদস্যদের ব্যবহৃত পোশাকের সঙ্গে মিল রয়েছে বলে ধারণা করছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।
এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা হয়েছে। বুধবার চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়।
বিকেলে ডিএমপি সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, আটক ব্যক্তিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের নেটওয়ার্ক ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তিনি বলেন, “যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net