February 15, 2026, 9:55 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি/স্বাধীনতার পর প্রথম কুষ্টিয়ায় জামায়াতের জয়: ক্ষমতা কাঠামোর নতুন বাস্তবতা ভেদাভেদ ভুলে উন্নয়নের আহ্বান, বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে আমির হামজার সৌজন্য সাক্ষাৎ কুষ্টিয়া-৩ আসনে পরাজয়ের পর উত্তেজনা, বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার অভিযোগ দ্বিগুণ ভাড়াতেও নেই গাড়ি—পাটুরিয়া ঘাটে সহস্র যাত্রীর রাতভর অবরুদ্ধ অপেক্ষা পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিএনপির জয়যাত্রা: রাজনীতির দীর্ঘ পথরেখায় জামায়াত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফলের সারসংক্ষেপ মেহেরপুরের দুই আসনেই দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর জয় নিরঙ্কুশ বিজয়ে দেশবাসীকে বিএনপির শুভেচ্ছা, উদযাপনে সংযমের নির্দেশ কুষ্টিয়ার চার আসনের তিনটিতে জামায়াত, একটিতে বিএনপির জয় ঝিনাইদহ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসাদুজ্জামানের জয়

ব্রান্ডের নামে অযোথা বাড়ানো চালের দামে প্রভাব পড়ছে সাধারণ বাজারে

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
দেশে চালের চলতি বাজার স্বাভাবিক না অস্বাভাবিক এ নিয়ে কোন পরিস্কার ধারনা নেই কারো। ধান ও চালের চলতি মুল্য গড় করেও কোন পরিস্কার ব্যাখা দিতে পারছেন না অনেকেই। তবে এটা পরিস্কার চাল এখন সাধারণ ব্যবসায়ীদের হাতে নেই। এটা চলে গেছে বড় বড় চাল উৎপাদন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির হাতে।
এই চালের তিনটি প্রকার। অতি সাধারণ মোটা চাল। মিডিয়াম ও প্যাকেটজাত চাল। এসব বহুভিন্নতার কারনে কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ছে। সঙ্গে যুক্ত হ”েছ ব্রান্ডভ্যালু।
যেমন প্যাকেটজাত প্রতিকেজি চাল ব্যান্ডের নামে বিক্রি হ”েছ ৮০-৮৫ টাকায়। যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ বাজারে। অখচ এর কোন মানেই নেই।
বিভিন্ন সূত্র বলছে বাংলাদেশের ইতিহাসে ধানের দাম এখন সবচেয়ে বেশি। প্রতি মণ ১২শ টাকারও বেশি। এক মণে ২৫-২৬ কেজি চাল হয়। সেই চাল থেকে ভাঙাচাল আলাদা করা হয়। পরিষ্কার ও ঝকঝকে করা হয় মেশিনে। সেখানেও পরিমাণ কমে। সব মিলিয়ে ২৪ কেজির বেশি পাওয়া যায় না। যুক্ত হয় প্রক্রিয়াজাত খরচও। এখন প্রতিকেজি মোটাচালের উৎপাদন খরচ পড়ে ৩৮ টাকার বেশি। যে চাল পাইকারি বাজারে বিক্রি হয় ৪২-৪৪ টাকায়। মাঝারি মানেরটা বিক্রি হয় ৪৪-৪৬ টাকায়। প্রতিকেজি মিনিকেট বা নাজিরশাইল পাইকারি বাজারে বিক্রি হয় ৫২-৫৬ টাকায়। এটাই এলাকাভেদে খুচরা বাজারে ৫৮ টাকা, ৬২ টাকা এবং ৭০ টাকায় বিক্রি হ”েছ। একই চাল বিভিন্ন শপিংমলে বিভিন্ন ব্রান্ডের প্যাকেটে বিক্রি হ”েছ ৮০-৮২ টাকা কেজিতে।
পাইকারি ও খুচরা বাজারের মধ্যে চালের দামের এই ব্যবধান সম্পর্কে সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এখন চালের ব্যবসা করছে সিটি গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ, প্রাণ আরএফএল গ্রুপ, এসিআই গ্রুপ, রূপচাঁদা গ্রুপ। তাদের উৎপাদন খরচ বেশি। দাম পড়ে ৮০-৮২ টাকা। এ কারণে যেটি প্যাকেটজাত করা হয় না সেটা ৭০-৭২ টাকায় তো বিক্রি হবেই।
ওদিকে বিশেষজ্ঞগণ বরছেন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। তাই চালের দাম বাড়লেও অনেকের গায়ে লাগে না। নিজাম উদ্দিনের মতে, একজন রিকশাচালকের দৈনিক আয় কমপক্ষে ৮০০ টাকা। এমনকি অনেক ভিক্ষুকের আয়ও এমন। এরা একবার চায়ের দোকানে বসেই খরচ করে ৪০-৫০ টাকা। কাজেই, দিনে আড়াইশ গ্রাম চাল খাওয়ার খরচ নিয়ে তাদের তেমন মাথাব্যাথা নেই। এ বিবেচনায় চালের বাজার ঠিকই আছে বলে মত দিয়েছেন অনেকে।
বর্তমান বাজারদরের চেয়ে আরও কমে যদি সাধারণ মানুষকে চাল খাওয়াতে হয়, তবে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে। সরকারের ১০ টাকা কেজি দরের চাল আছে। ৩০ টাকা কেজি দরেরও আছে। এর পরিমাণ বাড়াতে হবে। এ ছাড়া কম দামে চাল খাওয়ানোর আর পথ আছে বলে মনে হয় না।
তারা জানান সরকার চাল আমদানির অনুমতি না দিলে দাম আরও বাড়তো। আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাজার ¯ি’তিশীল আছে। ধানের দাম আর কমবে বলে মনে হয় না। বড় বড় কোম্পানিগুলোর হাজার হাজার মণ কিনে রাখার সামর্থ আছে। যা সাধারণ ব্যবসায়ীদের নাই। আগে কৃষক ধান বিক্রি করতে না পেরে বাড়ি নিয়ে যেতেন। এখন সেদিন নেই। কোনও কৃষকের ধান অবিক্রিত থাকে না। বড় বড় কোম্পানি কিনে নেয়। দেশে অটো রাইসমিলও বেড়েছে। কাজেই ধানের দাম পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net