August 26, 2026, 12:17 pm

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
মেহেরপুর শহরের হোটেল বাজার এলাকায় গভীর রাতে ঘরে ঢুকে এক যুবতীর কব্জি কেটে নেওয়ার অভিযোগ এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে ওই যুবতীর বাবা-মাও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে আহত তিনজনকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়।
বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে হোটেল বাজার এলাকার রিপন টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবতী স্মৃতি আক্তার (২২)। তার বাবা সেলিম (৫০) ও মা রেবেকা সুলতানা কামনা (৪২) হামলায় গুরুতর আহত হন।
এ ঘটনায় সায়ন (৩০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তিনি মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়ার আবু তালেবের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে সেলিমের বাসায় হঠাৎ চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, এর আগেই সায়ন ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই পরিবারের ওপর হামলা চালান। হামলায় স্মৃতি আক্তারের একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বাবা ও মাও গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে ঘটেছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা থাকলেও এর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হামলার পেছনে কী বিরোধ ছিল এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ঘটনার পর অভিযুক্ত সায়ন পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের জন্য পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে বলে জানান মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান
একই পরিবারের তিনজনের ওপর মধ্যরাতের এই হামলায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে তরুণীর হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।