March 12, 2026, 7:29 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল দিয়ে ১৬ দিনে এলো ৫,০০৫ টন চাল: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সরবরাহ বেড়েছে, দাম স্থিতিশীল নিলুফার এ্যানীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির শোক প্রকাশ জ্বালানি সহায়তায় আগ্রহী ভারত ও চীন, এলো ভারতের ৫ হাজার টন ডিজেল প্রথম দিনেই ৩৭ হাজার নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড, আগামী মাস থেকে কৃষক কার্ড সব পরিবারই পাবে ফ্যামিলি কার্ড, আমার স্ত্রীও পাবেন: মির্জা ফখরুল ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিত/কে কত পেতে যাচ্ছেন মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা দৌলতদিয়া ঘাটে পানি কমে পারাপারে জটিলতা, ঈদে নামছে ১৬ ফেরি ও ২০ লঞ্চ ‘অদম্য নারী’ সম্মাননা পেলেন খালেদা জিয়া, গ্রহণ করলেন ব্যারিস্টার জাইমা কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীতে নিখোঁজের ২৫ ঘণ্টা পর দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার এলপিজি/ সবসময়ই চড়া মূল্য দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ: ভ্যাট কমানো ও দাম সমন্বয়ের পরও স্বস্তি নেই

আশিকদের চায়ের দোকান বন্ধ, কিভাবে চলবে সংসার

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে সরকারী ভাবে সকল মানুষকে যখন লকডাউনে থাকার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ওই ঘোষণার বাইরে এতিম আশিক ও তার ভাই-বোনরাও নয়। এতিম কিশোর আশিকসহ ৪ ভাই-বোন দিনরাত চা বিক্রির পাশাপাশি স্কুলে লেখাপড়া চালিয়ে আসছিল।

লকডাউনের কারণে তাদের চা বিক্রি বন্ধ হয়েছে। কিন্তু পেট তো আর থেমে থাকে না। জনপ্রতিনিধিদেও মাধ্যমে একদিন কয়েক কেজি চাউল আর সামান্য সবজি পাওয়া গেলেও তাতে তো আর ৪ ভাই-বোনের সংসার চলবে না। তাই কিভাবে ৪ ভাই-বোনের পেট চালাবে এমনই চিন্তিত কিশোর আশিক। মায়ের পরপারে যাওয়া আর বাবার অন্য সংসার জীবন গড়ার কারণেই তাদের এমন হাল।

যে বয়সে লেখা-পড়া ও খেলা-ধুলা আর ছোটাছুটি করার কথা। সে বয়সে লেখা-পড়া করলেও সংসার চালানোর মতো সংগ্রামী জীবন নিয়ে বেঁচে আছি অশ্রুঝরা চোখে এমনটি বলছিল এতিম আশিক।

আশিক সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাতের সময় বলে, আমাদের মতো এমন এতিম যেনো কেউ না হয়।

প্রিয় পাঠক, এতোক্ষণ বলছিলাম। কিলোর আশিক ও তার ছোট ভাই-বোনের সংগ্রামী জীবনের কথা। মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের কসবা গ্রামে (তাদের) আশিকদের বাড়ি।

বাবার নাম রাশিদুল ইসলাম। সে পেশায় দিন মজুর। আশিকদের মা গত ৪ বছর আগে স্ট্রোকে মারা যান। মা মারা যাওয়ার পর বাবা রাশিদুল বিয়ে করে অন্যত্রে চলে যান। আশিক বাবা-মায়ের বড় ছেলে। তার বয়স সবে মাত্র ১৩ বছর। মেজো ভাই মোস্তাকিনের বয়স ৯ বছর। সেজো কুলছুম খাতুনের বয়স ৮বছর ও ছোট ভাই রিয়াজের বয়স ৭ বছর। বড় ভাই আশিক তৃতীয় শ্রেণীতে লেখা-পড়া করে। মোস্তাকিন ও কুলছুম প্রথম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত। ছোট ভাই রিয়াজ শিশু শ্রেণীর ছাত্র। তারা সবাই কসবা ডিপিবি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষাথর্ী।

আশিকদের নানা বাড়ি একই উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়নের পীরতলা গ্রামে। আশিকসহ ৪ভাই-বোন এখন দাদার বাড়ি কসবা গ্রামে থাকে। দিন মজুর দাদা-ও গৃহিনী দাদি বেঁচে থাকলেও তারা বয়সের ভারে কাজ করতে পারে না।

স্থানীয়রা জানান,গ্রামের লেকজন আশিককে কিছু টাকা দিয়ে বাড়ির পাশে একটি চায়ের দোকান দিয়ে দেয়। আশিক চা বিক্রির পাশাপাশি স্কুলেও যায়। তার চা বিক্রির কাজে আরো তিন ভাই-বোন সহযোগিতা করে। দাদা বৃদ্ধ তাই তাদের পাশে বসে মানসিক শক্তি যোগায়। ইতোপূর্বে তাদের এ কষ্টের কথা শুনে কয়েকটি সংগঠন ও ব্যক্তি সহযোগিতাও করেছিল। বর্তমান করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনে থেকে তাদের সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net