February 11, 2026, 7:19 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
প্রচার শেষ, ভোটের অপেক্ষায় দেশ/কঠোর বিধিনিষেধে থেমেছে নির্বাচনী প্রচারণা ব্যালটে সমতা, ক্ষমতায় বৈষম্য: নারী ভোটারদের শক্তি ও রাজনৈতিক বাস্তবতার দ্বন্দ্ব কূটনীতি, ক্রিকেট ও দ্বৈত মানদণ্ড: আইসিসি সিদ্ধান্তে প্রশ্নে বাংলাদেশ–পাকিস্তান খুলনার বেশ কয়েকটি আসনে বিদ্রোহীরা বিএনপিকে চাপে রাখছে, জামায়াত তুলনামূলক স্বস্তিতে কুষ্টিয়া কারাগারে হাজতির অস্বাভাবিক মৃত্যু, পুলিশ বলছে আত্মহত্যা বিএনপি-জামাতের ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা গড়াই নন্দিনী সাহিত্য ও পাঠচক্রের বার্ষিক বনভোজন ও সাহিত্য আড্ডা রয়টার্সকে তারেক রহমান/ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য সরকার গঠন করবে না বিএনপি ২০২৬ সালের একুশে পদক পেলেন নয় ব্যক্তি ও এক ব্যান্ড হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন/ গুম কমেছে, কিন্তু গণগ্রেপ্তার ও জামিন বঞ্চনা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

স্বাধীন ও স্বার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

দৈনিক কুষ্টিয়া ডেস্ক/
স্বাধীন ও স্বার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের প্রতি সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ।
রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে একটি স্বাধীন, সুসংহত ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান আবারও স্পষ্ট করেছেন। ২৯ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস উপলক্ষে পৃথক বার্তায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিনি জনগণের অবিচ্ছেদ্য আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, জাতীয় স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতি তার বার্তায় বলেন, ‘ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংহতি দিবসে, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রদানের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করছে।’
বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘আমরা পূর্ব জেরুজালেমের সাথে ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে আল কুদস আল-শরিফকে রাজধানী করে দ্বি-রাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে আমাদের নীতিগত অবস্থানের বিষয়টি পুনরুল্লেখ করছি।’
আব্দুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দিকনির্দেশনা ও আমাদের সংবিধানের সাথে সংগতি রেখে, বাংলাদেশ সবসময় সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এগুলোর বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার আদায়ে সংগ্রামরত মানুষকে সমর্থন দিয়ে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তার প্রথম ভাষণে, ১৯৭৪ সালে ওআইসির দ্বিতীয় সম্মেলনে এবং ১৯৭৩ সালে চতুর্থ নাম সম্মেলনে ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রাম ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান। স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ এই অবস্থানে অটল রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণহত্যার যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতিই আমাদের ফিলিস্তিনিদের ওপর হওয়া অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা যুগিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর বহু বছর ধরে অন্যায় করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এই সংকটের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এই নীতির আলোকে বাংলাদেশ মিয়ানমারের ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরর্ণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে এবং এই সংকটের একটি টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বার্তায় বলেন, ‘আমরা ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেম-আল কুদস আল-শরীফকে রাজধানী করে দ্বি-রাষ্ট্র নীতির ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও টেকসই ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে আমাদের নীতিগত অবস্থানের বিষয়টি পুনরুল্লেখ করছি।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকেই তার এই অবস্থানে অটল রয়েছে। ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও গণহত্যার যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতিই আমাদের ফিলিস্তিনিদের ওপর হওয়া অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর প্রেরণা যুগিয়েছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর বহু বছর ধরে অন্যায় করা হচ্ছে। বাংলাদেশ এই সংকটের দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ এই নীতির আলোকে বাংলাদেশ মিয়ানমারের ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে এবং এই সংকটের একটি টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে।’
বাংলাদেশ নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর দখলদার বাহিনীর শক্তি প্রয়োগের জোরালো বিরোধিতা করছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতাই ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশার জন্য দায়ী।
এই দিনে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ী ফিলিস্তিন ও এর ভূখন্ডগত স্বার্বভৌমত্বের পক্ষে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংস এবং দখলদার বাহিনীর অব্যহত আগ্রাসন ও অবৈধ স্থাপনা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর এই অব্যহত মানবাধিকারের লংঘনের অবসানের আহ্বান জানাচ্ছি। ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার রক্ষায় এবং জাতিসংঘ প্রস্তাব, আরব পিস ইনিশিয়েটিভ ও কার্টেট রোড ম্যাপের আলোকে এই সংকটের একটি টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’

সূত্র: বাসস

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net