February 18, 2026, 3:23 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মন্ত্রিসভা/মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যারা ২টি শপথই নিলেন জামায়াত জোটের এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নেয়নি শপথ বিএনপি আলি রিয়াজ নিজেই ভোট দেননি, কারন তিনি বাংলাদেশের ভোটার নন রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের ১২৭তম জন্মদিন আজ বাম রাজনীতির ভরাডুবি: কোথাও ভোট ১’শরও কম, সুবিধাবাদের দায়ে তীব্র প্রশ্ন অন্তর্বর্তী সময়ের নিস্পন্ন-অনিষ্পন্ন সংকট : আস্থার পরীক্ষায় থাকতে হবে নতুন সরকারকে শরীকদের নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠনের পথে বিএনপি: অভিজ্ঞদের সঙ্গে থাকছেন তরুণ ও মেধাবীরা আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি/স্বাধীনতার পর প্রথম কুষ্টিয়ায় জামায়াতের জয়: ক্ষমতা কাঠামোর নতুন বাস্তবতা ভেদাভেদ ভুলে উন্নয়নের আহ্বান, বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে আমির হামজার সৌজন্য সাক্ষাৎ

আজ চৈত্র সংক্রান্তি, বিদায় ১৪২৭

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদন/
আজ ৩০ চৈত্র, মঙ্গলবার। বাংলা বছরের শেষ দিন। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মেই আজ বিদায় নিচ্ছে ১৪২৭ বঙ্গাব্দ। এই দিনটিকে বলা হয় চৈত্রসংক্রান্তি। বাংলার বিশেষ লোকজ উৎসব এই চৈত্রসংক্রান্তি। আবহমান বাংলার চিরায়িত নানা ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসে এ দিনটি। ঋতুচক্রের পালাবদলে আগামীকাল বুধবার নতুন আশা নিয়ে শুরু হবে ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরনোকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে নানা অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় উৎসব।
তবে গতবারের মতো এবারও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পহেলা বৈশাখসহ সব ধরনের সমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। সারাদেশে আগামীকাল ১৪ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এই অবস্থায় চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে কোনও আনুষ্ঠানিকতা থাকছে না। থাকবে না উৎসবের আমেজ।
নতুন বছরকে স্বাগত এবং পুরোনো বছরকে বিদায় জানানোর জন্য আবহমান কাল ধরে চৈত্রের শেষ দিনে নানা আচার-অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়ে থাকে। অথচ বাঙালির সর্বজনীন উৎসবের দিন ছিল এটি। সনাতন ধর্মের অনুসারীরা এই চৈত্রসংক্রান্তিকে গ্রহণ করেন পুণ্যের দিন হিসেবে। তারা তাদের শাস্ত্র ও লোকাচার অনুসারে এদিনের স্নান, দান, ব্রত, উপবাস প্রভৃতি ক্রিয়াকর্মকে পুণ্যের কাজ বলে মনে করেন।
চৈত্রসংক্রান্তির সবচেয়ে বড় আয়োজন চড়ক পূজা। চৈত্র মাসজুড়ে সন্ন্যাসীরা উপবাস, ভিক্ষান্নভোজন প্রভৃতি নিয়ম পালন করেন। সংক্রান্তির দিন তারা শূলফোঁড়া, বাণফোঁড়া ও বড়শিগাঁথা অবস্থায় চড়কগাছে ঝোলে। আগুনের ওপর দিয়ে হাঁটে। শারীরিক কসরত দেখতে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ এসে জড়ো হয় চড়কমেলা-গাজনের মেলায়। মেলার সঙ্গে বিভিন্ন হিন্দু পৌরাণিক ও লৌকিক দেবতার নাম সম্পৃক্ত। যেমন- শিবের গাজন, ধর্মের গাজন, নীলের গাজন ইত্যাদি।
তবে চৈত্রসংক্রান্তিতে এবার কোনো কিছুই হচ্ছে না। করোনায় সব ম্লান হয়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net