August 25, 2026, 4:06 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ছয় মাসের অর্থনৈতিক পর্যালোচনা/বন্ধ হয়েছে ৯৫ কারখানা, কাজ হারিয়েছেন প্রায় ৬২ হাজার শ্রমিক সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ

দীর্ঘদিন অকেজো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইটি বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইটি বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট অকেজো হয়ে রয়েছে। দ্রæত চালু করতে কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।
প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে ক্যাম্পাসের অনুষদ ভবন ও ফলিত বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে দুইটি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়। যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিশুদ্ধ খাবার পানি সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে প্ল্যান্ট দুইটি একেবারে অকেজো হয়ে যাওয়ায় এই সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।
২০১৭ সালে ক্যাম্পাসের অনুষদ ভবন ও ফলিত বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়। এতে ৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়। পরবর্তী বছরে পরিচর্যা বাবদ খরচ হয় আরো এক লক্ষাধিক টাকা। কিন্তু ছয় মাসেরও বেশী সময় ধরে পরিচর্যা ও মেরামতের অভাবে কল দুইটি বন্ধ রয়েছে।
জানা গেছে, তিন মাস অন্তর কমপক্ষে একবার প্ল্যান্টগুলোর পরিচর্যা করতে হয়। কিন্তু করোনার কারনে দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় কল দুইটি নষ্ট হয়ে পড়ে। করোনা মহামারীর পরে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পানির প্ল্যান্ট দুইটি মেরামত করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে নিয়মিত পরিচর্যার অভাবে আবারো এগুলো বিকল হয়ে যায়। বিগত ছয় মাস যাবত প্ল্যান্টগুলো সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়ে আছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিস।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পানির ট্যাবগুলো ভাঙা। চারিদিকে ময়লা আবর্জনায় ভরপুর, মরিচা পড়ে লোহার যন্ত্রপাতিগুলো প্রায় ব্যবহারের অননুপোযোগী।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে নেই নিরাপদ খাবার পানির পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। এমতাবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে আর্সেনিকযুক্ত পানিই পান করছেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। হলে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীরা দূরে হলেও ওই প্ল্যান্ট থেকে পানি সংগ্রহ করতেন বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে কর্পতৃক্ষের অবহেলাকে দায়ী করে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ মাহমুদ বলেন এটা চরম একটি অব্যবস্থাপনা। এটা কতৃপক্ষের চরম গাফিলতি।
জানা গেছে, ভবনের নিচতলায় হওয়াতে ভবনের ছয়টি বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা এবং ক্যাম্পাসের অনেকে সহজেই নিরাপদ পানি পেতে পারতো।
সাদ্দাম হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রায়হান বলেন, ‘এমনিতেই হলে বিশুদ্ধ পানির সংকট। চারতলা থেকে নিচে আসতে হয় এক বোতল পানির জন্য।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মালেক মিয়া এইসব দায়িত্বে থাকলেও তিনি কোন কাজ করেন না বলে অভিযোগ। তিনি বেশীলভাগ ক্যম্পাসে থাকেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।
তিনি বলেন ‘করোনার ছুটিতে দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় প্ল্যান্টগুলোতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। এগুলো মেরামত করা হয়েছিল। এগুলো দেখাশোনা করার পর্যাপ্ত লোক না থাকার কারণে পরবর্তীতে আবারো এগুলো বিকল হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মুন্সী সহিদ উদ্দীন মো. তারেক জানান কাজটির জন্য ফাইল প্রশাসনের নিকট পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ত্রæটির কারনে কর্তৃপক্ষ ফাইলগুলো ফেরত ব্যাক করে দিয়েছে। ঠিক করে প্রসাশনের নিকট পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net