March 5, 2026, 2:58 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদে সেইলরের নতুন কালেকশন ইবিতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, হত্যাকারীর আত্মহত্যার চেষ্টা নির্মাণের পর অবহেলা/হাজার কোটি টাকার পাবনা রেলওয়ে স্টেশন এখন নিয়ন্ত্রণহীন অন্ধকারের প্রতীক ১০ মার্চ থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ/পাইলট প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ আদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল রোজার কারনে এ বছর সংক্ষিপ্ত লালন স্মরণোৎসব তেহরানে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, ১ মাস অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের লাখ টাকার ল্যাপটপ দাবি/ কুষ্টিয়ার খোকসা ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ, হুমকিতে ব্যবসায়ী খামেনি নিহত, ‘সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হামলার’ ঘোষণা আইআরজিসির, সরকার বদল পর্যন্ত হামলা চলবে : ট্রাম্প বড় যুদ্ধের শঙ্কা, ইরানর পাল্টা হামলা শুরু

ইবির সাবেক ট্রেজারারের রেস্ট হাউস বিল বকেয়া আড়াই লাখ টাকা, উদ্ধারে তদন্ত কমিটি গঠন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়ার কাছে বিশ^বিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ রেস্ট হাউজ ব্যবহার বাবদ পাওনা প্রায় ২ লাখ ৬৭ হাজার টাকার বিষয়টি অস্বীকার করায় তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন।
উক্ত কমিটিতে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন আল কোরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ব ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফখরুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় এস্টেট দপ্তর থেকে একটি চিঠি দেয়া হয় আলমগীর হোসেন ভ‚ঁইয়াকে সেখানে বলা হয় ‘কোষাধ্যক্ষ থাকাকালীন রেস্ট হাউসের ৩০৩ নম্বর কক্ষটি ২১ সালের অক্টোবর থেকে ২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত মোট ১ হাজার ১৪ দিন তার দখলে ছিল। এর মধ্যে ১২৪ দিন তার অনুমতিক্রমে আসা অতিথিরা অবস্থান করেছেন এবং এর বিপরীতে ভাড়া পরিশোধ হয়েছে। বাঁকি ৮৯০ দিনের ভাড়া বাবদ ২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা তিনি অদ্যাবধি পরিশোধ করেন নি।
এই চিঠির জবাবে ড. আলমগীর আরেকটি চিঠি দেন প্রশাসনে। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত গোপনীয় কাজ করার জন্য প্রশাসনিকভাবে আলোচনা করে একটি কক্ষ উপ-উপাচার্য এবং একটি কক্ষ কোষাধ্যক্ষকে ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়। সে মোতাবেক ১৮ দিন কক্ষটি তারা ব্যবহার করেছেন। দুজন মিলে কক্ষটি ব্যবহার করলেও শুধু তার নামে বিল দাখিল করা হয়েছে।
এদিকে, পুরো বিষয়টিই অস্পষ্ট বলে অভিহিত করেছেন অনেকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এস্টেট অফিসের আরেক কর্মকর্তা জানান, বিল পরিশোধের জন্য পত্র প্রেরণের কোন প্রয়োজন নেই। কোন শিক্ষক/কর্মকর্তা রেস্ট হাউজ ব্যবহার করলে অটোমেটিক্যালি রেস্ট হাউজের কর্মকর্তারা তার নামে বিল করে বিশ^বিদ্যালয় এস্টেট অফিসে প্রেরণ করে থাকেন। সে বিল পরীক্ষা করার পর হিসাব শাখায় প্রেরণ করা হলে হিসাব শাখা ব্যবহারকারীর বেতন থেকে কর্তন করে সমন্বয় করে থাকে। এক্ষেত্রে তেমনটি করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net