May 25, 2026, 4:07 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
রামিসা হত্যা: চার্জশিটে উঠে এসেছে ভয়াবহতা সমালোচনার মুখে বেতারের ‘ড্রেস কোড’ বাতিল/ মতপ্রকাশ ও ব্যক্তিস্বাধীনতার পক্ষে স্বস্তি মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলার রায় মাত্র ২৯ কার্যদিবসে, আসামির মৃত্যুদণ্ড গঙ্গা পানি চুক্তি/ঐতিহাসিক এই সমঝোতার ভবিষ্যৎ গন্তব্য কোন পথে? কুড়িগ্রামে প্রস্তাবিত সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে চীনা প্রতিনিধি দল খোকসায় বাস খাদে, নিহত ৪, আহত ২০, নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ইউনিসেফের গঙ্গা পানি চুক্তির ভবিষ্যৎ/ যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক শেষে ‘নীরবতা’ ৪র্থ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলক খেলাধুলা, পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে ৮টি ইভেন্ট রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে সুরা আন-নূরের আলো‌কে ধর্ষকের বিচার দাবি আমির হামজার

কুষ্টিয়ার ৩ মৃত্যু/ অ্যালকোহলের উৎস পোড়াদহ সুইপার কলোনি

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ায় অ্যালকোহল পান করে তিনজনের মৃত্যুর পর পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে যে ঐ অ্যালকোহলের উৎস ছিল কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ সুইপার কলোনি।
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার খাইরুল আলম জানান তথ্য অনুযায়ী মৃত চারজনই সুইপার কলোনিতে বসে রবিবার রাতে ঐ অ্যালকোহল পান করেছিলেন। তিনি জানান এখন পর্যন্ত মোট ৭জনকে চিহ্নিত করা গেছে যারা ঐ কলোনি থেকে বিষাক্ত স্পিরিট পান করেছিলেন।
পুলিশের আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, এরা সবাই ঐ কলোনির নিয়মিত খরিদ্দার ছিলেন। সেখানে গিয়ে মদ পান করতেন।
পুলিশ সুপার আরও জানান ঐ দিন রাতে মোট ৩০ থেকে ৩৫ জন ঐ কলোনি থেকে বিভিন্ন ধরনের মদ সংগ্রহ করেছিল।
মদ সংগ্রহকারীরা বিভিন্ন স্থানে বসে মদ পান করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা তাপস কুমার সরকার জানান গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হবার পর তারা হাসপাতালে আসেন। এসময় এরকম সাতজনকে রোববার রাত ৯টা থেকে দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তিনজন মারা যান।
তিনি জানান অ্যালকোহল বিষাক্ত ছিল সেখানে থেকেই বিষক্রিয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত করা হবে। তিনি জানান চিহ্নিত বাকি চারজনকেও পরীক্ষা করা হয়েছে। তারা চিকিৎসাধীন। এদের মধ্যে ১জনকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার আরও এর বাইরেও কেউ অসুস্থ রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনা তদন্ত করছেন কুষ্টিয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাদাৎ হোসেন ও মিরপুর থানার ওসি রাশেদুল আলম।
ওসি শাহাদাৎ হোসেন জানান বিষাক্ত মদ, স্পিরিট বিক্রয়ে ঐ কলোনির পুরোন কুখ্যাতি রয়েছে। তবে ওখানে যারা নিয়মিত মদ পান করেন তারা সবাই পেশায় সুইপার। যার একটি তালিকাও রয়েছে।
এরবাইরেও অনেকে গোপনে সেখানে পান করতে যান বা মদ সংগ্রহ করে পান করেন।
তিনি জানান দুটি থানা মিলে বিষয়টি তদন্ত করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net