June 10, 2026, 11:21 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসা-সেবা-বাণিজ্য/ আদ-দীন বিতর্ক প্রশ্ন তুলছে স্বাস্থ্যসেবার বাজারে রোগীর অবস্থান কোথায়? ঝিনাইদহ/যখন একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই ‘গুরুতর অসুস্থ’ হয়ে পড়ে! ইউনূস সরকারের সময়কার অধ্যায় পেরিয়ে নতুন সম্পর্কের দিকে ঢাকা-দিল্লি : তথ্য উপদেষ্টা নিয়ন্ত্রণহীন রেস্তোরাঁ বাজার/ দাম বাড়ছে একই, কিন্তু প্রতিদিন ছোট হচ্ছে গ্রাহকের প্লেট কুষ্টিয়ায় চিরকুট লিখে প্রবাসীর স্ত্রীর আত্মহত্যা/এনজিও ঋণ ও প্রবাসজীবনের চাপের নীরব ট্র্যাজেডি সংবাদ বিশ্লেষণ/১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে আনসার বাহিনী দিয়ে সীমান্তে নতুন নিরাপত্তা বলয়, বাড়ছে কৌশলগত গুরুত্ব পোড়াদহ জংশন থেকে অপহৃত ৩ শিশু ঢাকায় উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ এবারও আদালত গ্রহণ করলো না ইউনূস-নূরজাহানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা অধ্যাপক আবুল বারকাতের শর্ত সাপেক্ষ জামিন বাজারের আগুন, মধ্যবিত্তের দীর্ঘশ্বাস/ সরকার কি পরিস্থিতির গভীরতা বুঝতে পারছে?

বিনিয়োগে স্থবিরতা, ভোগ কমেছে জুনে এলসি খোলা ৫ বছরে সর্বনিম্নে

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
গত জুন মাসে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই মাসে খোলা এলসির পরিমাণ ছিল গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি বিনিয়োগ স্থবির হয়ে পড়া, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি, মজুরির সঙ্গে মূল্যবৃদ্ধির অসামঞ্জস্য এবং সামগ্রিকভাবে মানুষের ভোগব্যয়ের প্রবণতা কমে যাওয়াই এর মূল কারণ।
অপরদিকে, আমদানি হ্রাসের প্রভাবে এলসি নিষ্পত্তির পরিমাণও নেমে এসেছে সাড়ে চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, চলতি বছরের জুনে খোলা এলসির পরিমাণ করোনাকালীন সময়ের চেয়েও কম, যা আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এক গভীর সংকেত।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৫ অর্থবছরের শুরু মাসে অর্থাৎ জুনে মোট ৪.১৪ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪.৪২ শতাংশ কম। ২০২৪ সালের জুনে এই পরিমাণ ছিল ৫.৪৭ বিলিয়ন ডলার।
তথ্য বিশ্লেষণ বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে এলসি খোলার প্রবণতা ধারাবাহিকভাবে কমেছে এবং জুনে তা এসে ঠেকে সবচেয়ে নিচের স্তরে। এর আগে সর্বশেষ এত কম এলসি খোলা হয়েছিল ২০২০ সালের আগস্টে—৩.৭ বিলিয়ন ডলার।
সংশ্লিষ্টরা মনে করিয়ে দেন, ২০২০ সালের মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পরপরই দেশজুড়ে লকডাউন আরোপ করা হয় এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে, যার ফলে আমদানি বড় ধাক্কা খায়। তবে এবারের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক, কারণ কোনো বৈশ্বিক মহামারির চাপ ছাড়াই বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমে যাওয়ার কারণে আমদানি কমছে, যা ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধিকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net