March 3, 2026, 11:31 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
রোজার কারনে এ বছর সংক্ষিপ্ত লালন স্মরণোৎসব তেহরানে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ, ১ মাস অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের লাখ টাকার ল্যাপটপ দাবি/ কুষ্টিয়ার খোকসা ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ, হুমকিতে ব্যবসায়ী খামেনি নিহত, ‘সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হামলার’ ঘোষণা আইআরজিসির, সরকার বদল পর্যন্ত হামলা চলবে : ট্রাম্প বড় যুদ্ধের শঙ্কা, ইরানর পাল্টা হামলা শুরু ঈশ্বরদীতে দাদির ও নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার নিলুফার রহমান এ্যানীর দাফনের সময়সূচি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষিরা সীমান্তবর্তী এলাকা কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে সভাপতি সাঈদ, সম্পাদক শাতিল ঝিনাইদহে প্রতিদিন ২১ বিয়ে, ১১ বিচ্ছেদ; তালাকের আবেদন নারীদের বেশি

প্রধান বিচারপতি: তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা শুধু সাময়িকভাবে পুনরায় চালু বা বাতিল করলেই চলবে না; এ বিষয়ে সুদূরপ্রসারী ও কার্যকর সমাধান প্রয়োজন। নির্বাচনকালীন সরকারের কাঠামো এমনভাবে নির্ধারিত হতে হবে যাতে তা বারবার সংকটে না পড়ে এবং দেশের গণতন্ত্রকে স্থায়ীভাবে শক্তিশালী করে।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিট থেকে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাতজন বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) শুনানি শুরু হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, “যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করা হয়, এটি কবে থেকে কার্যকর হবে?” তিনি আরও বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে সুস্পষ্ট ও স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সংকট সৃষ্টি না হয়। দেশীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এটি যাতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।”
এর আগে মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যা মূলত ১১ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগে স্থগিত ছিল। তখন জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ রায় দেন।

রায়ের পটভূমি/
সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযোজন করা হয় ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে। তবে এর বৈধতা নিয়ে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম. সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানির পর হাইকোর্ট রুল জারি করে এবং ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট চূড়ান্ত শুনানির পর রিট খারিজ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বৈধ ঘোষণা করে।
এরপর ২০০৫ সালে আপিল করা হয়। ২০১১ সালের ১০ মে সাতজন বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেন। রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয় এবং ৩ জুলাই গেজেট প্রকাশিত হয়।

পুনর্বিবেচনার আবেদন/
২০১১ সালের রায়ের পুনর্বিবেচনার জন্য প্রথম আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি—তোফায়েল আহমেদ, এম. হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভুঁইয়া ও জাহরা রহমান।
পরবর্তীতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার পৃথকভাবে পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। এছাড়া নওগাঁর রানীনগরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও একই ধরনের আবেদন করেন।
বর্তমানে মোট চারটি রিভিউ আবেদন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net