February 6, 2026, 1:13 pm

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলইন/
সরকার ঘোষণা করেছে ২০২৬ সালের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ প্রাপ্তদের নাম। এ বছর শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নয়জন ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠান এ সম্মাননা পাচ্ছেন।
তালিকায় রয়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা, সিনিয়র সাংবাদিক শফিক রেহমান, এবং মরণোত্তর সম্মাননা পাচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু।
অন্যান্য পদকপ্রাপ্তরা হলেন চারুকলায় প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম, লোকজ সংস্কৃতিতে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, শিক্ষায় প্রফেসর মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার যস, নৃত্যে অর্থি আহমেদ, এবং সংগীতে দল হিসেবে ব্যান্ড দল ‘ওয়ারফেজ’।
সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রেক্ষাপট:
ববিতা: জহির রায়হানের সংসার সিনেমা দিয়ে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিষেক। ১৯৭৫ সালে প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, পরবর্তী সময়ে তিনবার সেরা অভিনেত্রী হিসেবে পুরস্কৃত। ভারতের হিন্দি সিনেমা দূর দেশ-এ অভিনয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
আইয়ুব বাচ্চু: একাধারে গিটারিস্ট, গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী। ব্যান্ড এলআরবির প্রতিষ্ঠাতা, ১৯৯১ সালে ব্যান্ড যাত্রা শুরু। তার গান—যেমন সুখের পৃথিবী, এখন অনেক রাত, রূপালি গিটার—নব্বইয়ের দশকের তরুণদের কাছে আজও জনপ্রিয়।
ইসলাম উদ্দিন পালাকার: কিশোরগঞ্জের লোকসংগীতশিল্পী। ছোটবেলা থেকে পালাগান ও যাত্রায় আগ্রহ, ২০ বছর বয়সে নিজের দল গঠন। কোক স্টুডিওর দেওরা গান তাকে প্রধান পরিচিতি এনে দিয়েছে।
ওয়ারফেজ ব্যান্ড: ১৯৮৪ সালে যাত্রা করা এই হেভি মেটাল ব্যান্ডের গান যেমন পূর্ণতা, না, ধূপ ছায়া, রূপকথা, অবাক ভালোবাসা এখনও জনপ্রিয়।
এ বছর একুশে পদকের তালিকায় সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা নামগুলোর বৈচিত্র্য প্রতিফলিত হয়েছে।