October 16, 2026, 3:27 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কার মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দুই বাংলাদেশী নারী-পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর রূপপুরে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন, পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার যন্ত্রপাতি সমাবর্তনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সকল কমিটিকে নির্দেশনা উপাচার্যের কুষ্টিয়ায় জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি কুষ্টিয়ায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ইসির: প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি, শেষ হবে মে মাসে ডেঙ্গু: শুধু মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের সক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে? কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পুশইনের দুটি চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজাতে হবে: ইবি উপাচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় ‘গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা’

সজনে ডাটা/ব্যয়হীন উৎপাদনের এক দারুণ অর্থকরী ফসল

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
মৌসুম শুরু হয়েছে বেশ আগেই। ইতোমধ্যে বাজারে এসেছে সজনে ডাটা। এটি বাংলার আরো একটি সুস্বাদু সবজি জাতিয় মৌসুমি খাদ্য। বর্তমানে বাজারে ভাল দামও রয়েছে। বিক্রিও হচ্ছে। এই মৌসুমি সবজিটির অনেক উপকারীতারও রয়েছে।
সজনে একটি বৃক্ষ জাতীয় গাছ। এর কাঁচা লম্বা ফল সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। পাতা খাওয়া হয় শাক হিসেবে। খরা সহষ্ণিু ও গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলরে একটি উদ্ভিদ এটি। ডাল ও বীজের মাধ্যমে বংশবস্তিার করলওে বাংলাদেশে সাধারণত ডালের মাধ্যমে বা অঙ্গজ জননের মাধ্যমে বংশবস্তিার করানো হয়।
সজনের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচে’ পুষ্টিকর র্হাব। গবেষকরা সজনি পাতাকে বলে থাকেন পুষ্টির সুপার ফুড।
বাংলার শহর-গ্রাম- রাস্তা-ঘাট, পুকুরপাড়, জমির আইলে, বাড়ি আঙিনায় ও তার চারপাশে বিভিন্ন স্থানে সজনে গাছ রয়েছে। বলা যায় এমন কোন বাড়ি নেই যেখনে এই সজনে গাছ নেই। সুস্বাদু হওয়ায় প্রায় বাড়িতেই মৌসুমে দেখা মেলে খাদ্য হিসেবে এ বস্তুটির। এটিকে বলা হয় উপদ্রবহীন উৎপাদন সক্ষম একটি ফসল। কোন উৎপাদন ব্যয়ই নেই। কিন্তু এ থেকে লাভ উঠে থাকে ভাল। অনেকেই নিজেদের চাহিদা পূরণ করে বাজারজাতও করেন। আর প্রথমদিকে বাজারজাত করলে ভাল দাম পাওয়া যায়।
কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া বাঁধ সংলগ্ন মোস্তফা হোসেন জানান তার বাড়ির আঙিনায় ৪টি সজনে গাছে প্রচুর সজনে এসেছে। তিনি ইতোমধ্যে কচি থাকতেই দুটি গাছের প্রায় ২০ কেজি সজনে বিক্রি করে দিয়েছেন। প্রতি কেজিতে তিনি পেয়েছেন ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা। তার কোন উৎপাদন খরচ ছিল না।
একই তথ্য জানালেন মেহেরপুরের সাংবাদিক ইয়াদুল ইসলাম। তিনি জানান তার বাড়িতে ১০/১২টি গাছে সজনে এসেছে। দু’দফায় ৮টি গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন গড়ে ১৫০ টাকা কেজি দরে প্রায় ২০০ কেজি ডাটা। আয় করেছেন প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
কুষ্টিয়া মিউনিসিপ্যালিটি বাজারে সবজি কিনতে আসা হারুনুর রশীদ আসকারী বলেন বাজারে সজনে প্রতি কেজি দাম ২০০ টাকা।
সবজি ব্যবসায়ী জাকারিয়া জানান দাম কমে যাবে অচিরেই। এখনও দেশি সজনে ডাটা উঠতে শুরু করেনি। সারা মৌসুমেই ডাটার চাহিদা ছির গত বছর। এবারও থাকবে।
সজনে ডাটা চাষ বা গাছ লাগাতে কোনো খরচ নেই। এমনকি যতœও লাগে না। বর্ষাকালে সজনে গাছের ডাল কেটে তা যেকোনো জায়গায় লাগিয়ে দিলেই আপন শক্তিতে বেড়ে উঠে। ডাল লাগানোর পরে মৌসুম শুরু হলে সজনে ফুল আসতে শুরু করে।
বিশেষজ্ঞগণ জানাচ্ছেন এই সবজিটি পুষ্টিগুণে ভরপুর। প্রতি গ্রাম সজনে পাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশী ভিটামিন রয়েছে। এর বাইরেও রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, পটাশিয়াম। অন্যদিকে ডাটায় থাকে আয়রণ, জিংক এমাইনো এসিড। এটি শরীে সুগার ও কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে সক্ষম।
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. এসএম মুস্তানজিদ জানান এই সবজিটিকে অন্ধত্ব, রক্তস্বল্পতা সহ বভিন্নি ভিটামিনের ঘাটতি জনতি রোগরে বিরুদ্ধে কাজ করানো যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net