July 7, 2026, 3:03 pm

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা চূড়ান্ত করতে দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের তথ্য যাচাই করে প্রত্যয়নপত্র পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করেছে।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মোট ৫৩৯টি বিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশের ৬৪ জেলার ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকার ৫১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৪৮৮টি মডেল বিদ্যালয়ের তথ্য ইন্টিগ্রেটেড প্রাইমারি এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (আইপিইএমআইএস) থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটি করপোরেশন এলাকায় অবস্থিত আরও ৫১টি বিদ্যালয় নতুন করে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রকল্পের প্রশাসনিক কার্যক্রম চূড়ান্ত করার আগে নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা হালনাগাদ ও নির্ভুল হওয়া নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ জেলার বিদ্যালয়গুলোর তথ্য যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত ছকে প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যয়নপত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকতে হবে এবং তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগে পাঠাতে হবে। এ উদ্দেশ্যে নির্বাচিত বিদ্যালয়ের তালিকা ও প্রত্যয়নপত্রের নমুনাও জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে, যাতে যাচাই কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল, এনডিসি স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনা দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোর ভবন সংস্কার ও সম্প্রসারণ, শ্রেণিকক্ষ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য শিক্ষা-সহায়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও নিরাপদ, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।