August 25, 2026, 5:50 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ দেবাশীষের অচেনা মৃত্যু এবং আমার অস্থির অন্তর

চুলা থেকে এ আগুন লেগে মুহূর্তেই সব শেষ, দিশেহারা ৪ ভাই

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আগুনে চার ভাইয়ের চারটি ঘুর পুড়ে গেছে। মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের চর এতমামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। চুলা থেকে এ আগুন লেগেছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- চর এতমামপুর গ্রামের হাসেম আলীর চার ছেলে ময়েন আলী খাঁ, চয়েন আলী খাঁ, জয়নাল আলী খাঁ ও বাবু আলী খাঁ। তারা পেশায় জেলে ও দিনমজুর। প্রতিবেশীরা জানান, সকাল ৬টার দিকে মাটির চুলায় রান্না করছিলেন ময়েন আলীর খাঁর স্ত্রী রেখা খাতুন। এ সময় তিনি হলুদ আনতে ঘরে যান। কয়েক মিনিটের মধ্যে চুলার কাছে ফিরে এসে দেখেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে জয়নাল আলী খাঁর ঘরে। এ সময় আগুন আগুন বলে চিৎকার শুরু করেন তিনি। রেখার চিৎকারে প্রথমে বাড়ির ও পরে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। তাদের প্রায় চল্লিশ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু ততক্ষণে চার ভাইয়ের চারটি ঘর ও সব আসবাবপত্র পুড়ে যায়।ময়েন আলী খাঁর স্ত্রী বলেন, গরিব মানুষ আমরা। সকাল সকাল রান্না করে একটি কারখানায় কাজে যাই। প্রতিদিনের ন্যায় আজও সকালে রান্না করছিলাম। তরকারি রান্নার জন্য ঘরে হলুদ আনতে গিয়েছিলাম। কয়েক মিনিটের মধ্যে ফিরে এসে দেখি আগুনে সব ছাই হয়ে গেল।প্রতিবেশী আদম আলী মৃধা বলেন, চিৎকার শুনে ছুটে এসে দেখি আগুন। পরে সবাই মিলে পানি ছিটিয়ে ও কলাগাছ ফেলে প্রায় ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।ভুক্তভোগী জয়নাল আলী খাঁ বলেন, আমরা চার ভাই কখনো মাছ ধরে আবার কখনো কিনে বিক্রি করি। মাঝে মধ্যে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। আগুন আমাদের সব কেড়ে নিয়েছে। আমরা পথে বসে গেছি। এখন পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে। কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিতান কুমার মণ্ডল বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সরকারি অন্যান্য সহযোগিতা পাওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net