June 2, 2026, 5:28 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদের ১০ দিনে পদ্মা ও যমুনা সেতু থেকে ৬৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার টোল আদায় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে আটক ১০ জন/ অনুপ্রবেশের খবরের আড়ালে যে মানবিক সংকট দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে চাপ/ঈদ শেষে জীবিকার টানে রাজধানীমুখী মানুষ জিয়াউর রহমানের বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল: ভারতীয় হাইকমিশন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ চার মাসের শিশুকে নদীতে ফেলে নিজেও ঝাঁপ/এখনও প্রকৃত কারন জানা যায়নি যুদ্ধবন্দী ফিলিস্তিনি নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা বাড়িয়েছে ইসরায়েলী সেনারা পশ্চিমবঙ্গে কড়াকড়ি, দেশে ফিরতে হাকিমপুর সীমান্তে শতাধিক বাংলাদেশির ভিড় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জামায়াতের সদস্য বহিষ্কার

রমনা বটমূলে বোমা হামলা/মিথ্যা পরিচয় নিয়ে পালিয়ে ছিলেন সেই ইসলামী মুফতি শফিকুর

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
ঢাকার রমনা বটমূলে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি শফিকুর রহমান গ্রেপ্তার এড়াতে ছদ্মনামে নামে বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা ও ইমামতি করে আসছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।
তিনি বলেন, শফিকুর নাম পাল্টে হন আব্দুল করিম। নরসিংদীর বিভিন্ন মাদ্রাসায় এ নামে শিক্ষকতা করেন। ছদ্মনামেই ওই এলাকার একটি মসজিদে মাসিক পাঁচ হাজার টাকা বেতনে ইমামতি করতেন।
মুফতি শফিকুর রহমান (৬১) ২১ অগাস্ট গ্রেনেড হামলার মামলাতেও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত।
কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২১ বছর আগে রমনার বটমূলে হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন শফিকুর রহমান। এ ছাড়া ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা, ২০০৫ সালে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ২০০১ সালে রমনার বটমূলে হামলার পর ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি আত্মগোপনে থেকে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকেন। ২০০৮ সাল থেকে নরসিংদীর একটি মাদ্রাসায় অবস্থান করে আত্মগোপনে চলে যান। চাকরি নেন একটি মসজিদে।
শফিকুরকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, আত্মগোপনে থেকে ইমামতির আড়ালে ধর্মের নামে ‘বিভ্রান্তিমূলক অপব্যাখ্যা প্রচার করতেন’ এই জঙ্গি নেতা। তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে।
তিনি ঢাকার চকবাজারের একটি মাদ্রাসা থেকে ১৯৮৩ সালে হেদায়া পাস করেন। তারপর ১৯৮৬ সালে ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস পাস করে দেশে ফিরে আসেন। ১৯৮৭ সালে পাকিস্তানের করাচিতে ইউসুফ বিন নুরী মাদ্রাসায় ফতোয়া বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৮৯ সালে তিনি আফগানিস্তানে গিয়ে তালেবানদের পক্ষে যুদ্ধ করেন। ওই বছরের শেষের দিকে তিনি ফিরে আসেন।
১৯৯০ সালে দেশে হরকাতুল জিহাদ (হুজি-বি) সংগঠন প্রতিষ্ঠার সময় তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি হরকাতুল জিহাদের (হুজি-বি) প্রচার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি সংগঠনের আমির ছিলেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি সংগঠনের সুরা সদস্য ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net