May 13, 2026, 4:03 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুর/ব্যয়ের প্রশ্নে অন্য দেশের বাস্তবতা ও আমরা মোটরসাইকেলে নতুন করের প্রস্তাব ছয় দশক ধরে আলোচনায়, সংশয় ও সম্ভবনার পদ্মা ব্যারাজ হামে শিশুমৃত্যু: ৩৫২ পরিবারের জন্য দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট মাদক কারবারীকে ছাড়াতে থানায় চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, বিএনপি-জামাতের পাঁচ নেতা আটক, আদালত প্রক্রিয়া নিয়ে গুঞ্জন বিশ্ব মা দিবস/ মায়ের মুখেই পৃথিবীর প্রথম আলো রাজবাড়ীর পেঁয়াজ বাজারে ধলতা বিরোধী অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা বাঙালীকে শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখতে অব্যাহত রাখতে হবে রবীন্দ্র চর্চা পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবীন্দ্রনাথহীন বাঙালি: শেকড়হীন সংস্কৃতির এক নিঃসঙ্গ জাতিসত্তা

আজ চৈত্র সংক্রান্তি

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আজ ৩০ চৈত্র, বৃহস্পতিবার। বাংলা বছরের শেষ দিন। এক দশকের শেষ। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মেই আজ বিদায় নিচ্ছে ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। এই দিনটিকে বলা হয় চৈত্রসংক্রান্তি। বাংলার বিশেষ লোকজ উৎসব এই চৈত্রসংক্রান্তি। আবহমান বাংলার চিরায়িত নানা ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসে এ দিনটি। ঋতুচক্রের পালাবদলে আগামীকাল শুক্রবার নতুন আশা নিয়ে শুরু হবে ১৪৩০ বঙ্গাব্দ।
বঙ্গাব্দের হিসাব সূর্যের আবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত। যেখান সময়ের শেষ বা শুরু নেই। বরং চক্রাকার।
উপমহাদেশের সনাতন প্রথা অনুসারী মানুষেরা দিনটিকে খুবই পুণ্যের দিন বলে মনে করেন। তাদের পঞ্জিকা মতে, আজ মহাবিষুব সংক্রান্তি। বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীও দিনটিকে নানা উৎসবের মাধ্যমে পালন করে।
বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরনোকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে নানা অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় উৎসব।
তবে গতবারের মতো এবারও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে পহেলা বৈশাখসহ সব ধরনের সমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা না ধাকলেও চলছে ইসলামী সম্প্রদায়ের রমযান। এই অবস্থায় চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকতা থাকছে। থাকবে উৎসবের সকল আমেজ। শুধু থাকছে না প্রকাশ্যে পান্তা ইলিশের খানাপিনা।
নতুন বছরকে স্বাগত এবং পুরোনো বছরকে বিদায় জানানোর জন্য আবহমান কাল ধরে চৈত্রের শেষ দিনে নানা আচার-অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়ে থাকে। সনাতন ধর্মের অনুসারীরা এই চৈত্রসংক্রান্তিকে গ্রহণ করেন পুণ্যের দিন হিসেবে। তারা তাদের শাস্ত্র ও লোকাচার অনুসারে এদিনের স্নান, দান, ব্রত, উপবাস প্রভৃতি ক্রিয়াকর্মকে পুণ্যের কাজ বলে মনে করেন।
চৈত্রসংক্রান্তির সবচেয়ে বড় আয়োজন চড়ক পূজা। চৈত্র মাসজুড়ে সন্ন্যাসীরা উপবাস, ভিক্ষান্নভোজন প্রভৃতি নিয়ম পালন করেন। সংক্রান্তির দিন তারা শূলফোঁড়া, বাণফোঁড়া ও বড়শিগাঁথা অবস্থায় চড়কগাছে ঝোলে। আগুনের ওপর দিয়ে হাঁটে। শারীরিক কসরত দেখতে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ এসে জড়ো হয় চড়কমেলা-গাজনের মেলায়। মেলার সঙ্গে বিভিন্ন হিন্দু পৌরাণিক ও লৌকিক দেবতার নাম সম্পৃক্ত। যেমন- শিবের গাজন, ধর্মের গাজন, নীলের গাজন ইত্যাদি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net