July 20, 2026, 1:18 am

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
দেশব্যাপী চলমান বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রমের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে গুচ্ছ ভর্তি কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।
সভা সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেননি। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় তাদের স্বার্থ বিবেচনায় এই সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
গুচ্ছ ভর্তি কমিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৪২০টি আসন এখনো শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক আসন খালি রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী এখনো ভর্তি সম্পন্ন করতে না পারায় ভর্তি কমিটি অতিরিক্ত সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এখনো ৩৬টি আসন খালি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি সাধারণ মেধা কোটার এবং একটি কোটাভিত্তিক আসন।
ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্ধিত সময়ের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে নির্ধারিত নিয়মে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আসন পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রমে শূন্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
গুচ্ছ ভর্তি কমিটি আশা করছে, সময়সীমা বৃদ্ধির ফলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে যেসব শিক্ষার্থী এতদিন ভর্তি হতে পারেননি, তারা এখন সহজেই তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যমান শূন্য আসনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।