October 25, 2026, 4:06 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
খোকসায় অপহরণের সাত ঘণ্টা পর ব্যবসায়ী উদ্ধার জাহাজ কমলেও বাড়ছে পণ্য পরিবহন, পিছিয়ে কার্যকর সক্ষমতা; রেলপথের ব্যবহার, নাব্যতা ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান লালনের মানবতাবাদী দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানে শেষ হলো তিন দিনের তিরোধান দিবসের আয়োজন অর্থ লেনদেনের কোন প্রশ্নই উঠে না, কুষ্টিয়া যুবদল সভাপতির সংবাদ সম্মেলন কুষ্টিয়াতে আওয়ামী লীগের সাবেক দুই এমপির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা অনুমোদন খোকসায় বেকারির ওভেন বিস্ফোরণে প্রধান মিস্ত্রি নিহত, দগ্ধ ২ লালনের শিক্ষা স্কুলে পৌঁছে দিতে চান প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা তিরোধান দিবসের ভাবগাম্ভীর্যে ছেঁউড়িয়ায় হয়েছে তিনদিনের লালন মেলা

কুষ্টিয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় যুবকের ৩০ বছরের কারাদণ্ড

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ার মিরপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় রাজিব কুমার ঘোষ নামে এক আসামিকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন কুষ্টিয়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এইচ. এম. শফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত রাজিব কুমার ঘোষ কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার উত্তর কাটদাহ এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জয় ঘোষ। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২০)-এর ৯(১) ধারায় সংঘটিত অপরাধের দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজা দেওয়া হয়।
মামলাটি মিরপুর থানার মামলা নং-১৭(১২)২০২২, জিআর নং-৩৪৮/২০২২ এবং নারী ও শিশু মামলা নং-৪৩/২০২৩ হিসেবে নথিভুক্ত ছিল। মামলায় অভিযোগ ছিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ৯(১) ধারার অপরাধের।
রায়ের আদেশে বলা হয়, আসামিকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মামলা-সংক্রান্ত আসামির ইতঃপূর্বে হাজতবাসের সময় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫এ ধারার বিধান অনুযায়ী সাজা থেকে বাদ যাবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
রায়ে আসামি ও তার জামিনদারদের জামিননামার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ট্রাইব্যুনালে হাজির থাকায় তাকে সাজা ভোগের জন্য কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২০)-এর ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, ভুক্তভোগীকে প্রদত্ত অর্থদণ্ড ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য করে তা ভুক্তভোগীকে প্রদানের জন্য কুষ্টিয়ার জেলা কালেক্টর (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট)-কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার নথি অনুযায়ী, এজাহারকারী নিজেই মামলার ভুক্তভোগী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net