March 26, 2026, 10:47 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দৌলতদিয়া ট্রাজেডি/ মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩, নিহতদের পরিচয় প্রকাশ,তদন্ত কমিটি, আর্থিক সহায়তা ঘোষণা আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস/ জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার ১০ লাখ টাকা অসহায় ও দুস্থদের হাতে তুলে দিলেন কুষ্টিয়া-১ আসনের এমপি রেজা ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল আজ ভয়াল ২৫ মার্চ ; জাতীয় গণহত্যা দিবস গাংনীতে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১৫ গাংনীতে সিজার-পরবর্তী জটিলতায় গৃহবধূর মৃত্যু, ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ কুষ্টিয়া বিজিবির অভিযানে সীমান্ত থেকে সোয়া ৬ কোটি টাকার এলএসডি ও মাদক জব্দ যশোরে গাছের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জন নিহত কুষ্টিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৭—এলাকায় উত্তেজনা

আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস/ জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। হাজার পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে শ্রেষ্ঠ অর্জন ছিল এই স্বাধীনতা। তাই এই দিন বাঙালি জাতির সবচেয়ে গৌরবের দিন।
দীর্ঘ পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের এই দিনে বিশ্বের মাঝে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন স্বাধীনতার মহান কারিগর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের এই দিনে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছিল। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু মাতৃভূমিকে মুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন। তিনি শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার আহ্বান জানান।
বঙ্গবন্ধুর পর পরই বাংলার আরেক দামাল সন্তান অকুতোভয় বীর সেনা অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান (পরবর্তীতে মেজর জেনারেল ও রাষ্ট্রপতি) সেদিন বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। একই সাথে আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হান্নানও বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
এরপরই শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যা, ধ্বংস ও পৈশাচিকতার বিরুদ্ধে ৯ মাসের মরণপণ লড়াইয়ে ৩০ লাখ শহীদের আত্মদানের বিনিময়ে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশের।
অত্যাচার-নিপীড়নে জর্জরিত বাঙালি জাতির সামনে আলোকময় ভবিষ্যতের দুয়ার খুলে দেওয়ার দিন ২৬ মার্চ। গৌরব ও স্বজন হারানোর বেদনার এই দিনে বীর বাঙালি সশস্ত্র স্বাধীনতাযুদ্ধের সূচনা করেছিল। মাতৃভূমিকে হিংস্র মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রগতি, কল্যাণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে অর্জন করা হয় স্বাধীনতা। দেশের সার্বভৌমত্ব সংহত করার নতুন শপথে বলিয়ান হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও প্রগতিবিরোধী শক্তিকে প্রতিহত করার অঙ্গীকার করে বীর বাঙালি।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকাসহ সারা দেশে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। গোটা জাতি আজ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের। এই দিন উপলক্ষে সারা দেশে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারিভাবে এবং দলীয় ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি রেখেছে। যথাযোগ্য মর্যাদা ও স্মরণে দিনটি পালিত হবে।
স্বাধীনতার পূর্ণ সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ায় হোক অঙ্গীকার/
১৯৭১ সালে সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের বাজেট ছিল মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা। সেই বাজেট আজ পরিণত হয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকায়। সেদিনের ১২৯ ডলার মাথাপিছু আয়ের দেশটির আজ মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮১৪ মার্কিন ডলার। সময় পেরিয়েছে, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও এগিয়েছে। মাথাপিছু আয়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ও দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধি, বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও ব্যবহার এবং সম্পদ উৎপাদন ও আহরণ দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র দেশ আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর এসে দারিদ্র্য আর দুর্যোগের সেই বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের পথে। অর্থনৈতি প্রবৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিসহ আর্থসামাজিক প্রতিটি সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ। এ প্রাপ্তি নিয়েই এবারও জাতি স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে।
দিবসটি উপলক্ষে দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আলাদা বাণীতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সব বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতির বাণী
রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বলেন, ‘স্বাধীনতা জাতি হিসেবে আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। আজকের এই দিনে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোত্সর্গকারী বীর শহীদদের, যাঁদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা।
আমি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর-উত্তমসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা-বোন, মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নেতৃবৃন্দ, সংগঠক ও সর্বস্তরের জনগণকে, যাঁরা স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য ও তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছেন।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘স্বাধীনতার লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সর্বস্তরের জনগণের ক্ষমতায়নকে সুসংহত করা। রাষ্ট্র ও সমাজের সকল ক্ষেত্রে সাম্য, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে স্বাধীনতার অপূর্ণ স্বপ্নগুলো পূরণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুখী-সমৃদ্ধ মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
’ রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে আরো বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অপশাসন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পরিস্থিতির বিরূপ প্রভাব দেশ ও দশের ওপর পড়ছে। সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে একটি স্বনির্ভর, গতিশীল ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে চলেছে। এ সময় দৃঢ় জাতীয় ঐক্য, সহমর্মিতা ও দেশপ্রেম খুব জরুরি।’
রাষ্ট্রপতি বর্তমান ও ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য একটি ইনসাফভিত্তিক, স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দল-মত-পথ নির্বিশেষে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর বাণী/
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে।
স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে আরো বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হূদয়ে ধারণ করতে হবে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাত্পর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি।’
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপনে সরকার দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে আজ ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও উত্তোলন করা হবে বড় আকারের জাতীয় পতাকা।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকালে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। পরে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। ঢাকায় অবস্থানরত বিদেশি কূটনীতিকরাও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
আজ সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য গেট নম্বর ২, ৩, ৪, ১০ ও ১১ নির্ধারণ করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের ব্যাগ বহন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তাঁর সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আজ বিকেলে বঙ্গভবনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বঙ্গভবনের সবুজ লনে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, তিন বাহিনীর প্রধান, সংসদ সদস্য, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী নেতা, শিল্পী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের সদস্য ও বিশিষ্ট নাগরিকরা অংশ নেবেন।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কেক কাটবেন। তাঁরা আহত মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্য বিশিষ্ট অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। জেলা ও উপজেলায়ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
আজ সকাল ৮টায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা এবং আলোচনাসভার আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের তাত্পর্য তুলে ধরে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।
আজ সকাল ৯টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা, পায়রা, সদরঘাট, পাগলা, বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের জাহাজ সাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মানিক মিয়া এভিনিউতে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল ও ওয়ারফেজের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বেতার ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করবে। দেশের জেলা ও উপজেলায় বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। জাদুঘরগুলো সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এ ছাড়া ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং দেশের সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
শিল্পকলা একাডেমির কর্মসূচি/
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সকাল ৮টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন একাডেমির কর্মকর্তা, শিল্পী ও কর্মচারীরা। সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ‘আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’ আয়োজন করা হয়েছে।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা/
হান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৬টার দিকে তারা ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়।
রাষ্ট্রপতির সাথে আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনের পরই মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখান থেকে ঢাকা ফেরার সময় সকাল ৭টার মধ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি।
এরপর সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে’ মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net