July 15, 2026, 10:49 pm

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইনপ/
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, “মেধা, অনুভূতি ও আবেগকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতি গঠনে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। যে স্বপ্ন নিয়ে তোমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছ, তা বাস্তবায়নের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরেও দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে।”
বুধবার (১৫ জুলাই) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে জিএসটি (গুচ্ছ) ভর্তি প্রক্রিয়ার আওতায় নবীন শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যতীত জিএসটি গুচ্ছভুক্ত সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার থেকে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে নবীন শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬টি বিভাগে নবীনবরণ, বৃক্ষরোপণ, ওরিয়েন্টেশন এবং পাঠদান উদ্বোধনসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়।
সকাল ১১টায় আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতক প্রথম বর্ষের পাঠদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী এবং থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সেকেন্দার আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন।
পরে বেলা সাড়ে ১১টায় লোক প্রশাসন বিভাগ আয়োজিত নবীনবরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন উপাচার্য। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফকরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি।
এ সময় উপাচার্য জানান, আগামী ১ আগস্ট ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করা হবে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ একযোগে অংশগ্রহণ করবে। তিনি অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এছাড়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম, ইংরেজি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, আরবি ভাষা ও সাহিত্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে পৃথকভাবে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিন নবীন শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস উৎসবমুখর ও প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে ওঠে।