July 14, 2026, 8:36 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করায় কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারিকে অব্যাহতি বৃষ্টি বা একটু রোদ হলেই দ্বিগুণ, রিকশা ভাড়ায় সীমাহিন নৈরাজ্য, জিম্মি নগরবাসী ইবিতে একটি বিশেষ ধর্মীয় বাধ্যতামূলক কোর্স নিয়ে বিতর্ক: ঐচ্ছিক করার দাবিতে সনাতনী শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অতিরিক্ত সময়ের জোড়া গোলে সুইজারল্যান্ডকে বিদায়, সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা কুষ্টিয়া শহরের ছাত্রীনিবাসের দিনরাত্রি/ চার দেয়ালের ভেতর স্বপ্নের লড়াই প্রত্যন্ত মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা পৌঁছে দিতে ‘স্বাস্থ্যসেরা বাস’ হস্তান্তর সব স্কুল-কলেজে আইপি সিসিটিভি / ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে তথ্য দিতে মাউশির জরুরি নির্দেশ, না দিলে ব্যবস্থা বিদেশি বিনিয়োগের পতন/ অর্থনীতির জন্য শুধু পরিসংখ্যান নয়, একটি সতর্কসংকেত জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই স্মৃতি’ লাল ব্যাজ কর্মসূচির উদ্বোধন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কের ঝুঁকিতে বাংলাদেশের রপ্তানি, সতর্ক করল এডিবি

ভোগান্তি/ খোকসার বরইচারায় কাঁচা সড়ক আর ভাঙ্গা ব্রিজ

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গোপগ্রাম ইউনিয়নের উত্তরপাড়া বড়ইচারা গ্রামে কাঁচা সড়ক ও ভাঙ্গাচুরা ব্রিজ-এর কারণে প্রায় ৩’শ পরিবার ভোগান্তিতে পড়েছে। ১৯৭০ সালে জিকে খালের উপর নির্মিত ব্রিজটি বয়সের ভারে ভেঙে পড়েছে।
এলাকার মানুষের দাবী মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে এই রাস্তাটি অনতিবিলম্বে চলাচলের উপযোগী করে এবং নতুন ব্রিজ নির্মাণ করে দেওয়া হোক।
বড়ইচারা মধ্যপাড়া উন্নয়নশীল কৃষিপ্রধান এই এলাকায় ৩’শ পরিবারের বসবাস। বরইচারা থেকে জনাব আলী মোড় পর্যন্ত ১ দশমিক ২ কিলোমিটার রাস্তার অর্ধেক ইটের হেরিং পটিং করা আছে। বাকি অর্ধেক রাস্তা এখনো কাঁচাই রয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী বলছিলেন ২০২০ সালে হেরিং পোর্টিং করলেও তাও ভেঙেচুরে গুড়িয়ে গেছে। এই রাস্তাটির মাঝে জিকে ক্যানেলে ১৯৭০ সালে একটি ব্রিজ করা হয়েছিল। বয়সের ভারে এর গার্ডার ও পাটাতন ভেঙ্গে গেছে।
মঙ্গলবার বিকালে সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে এলাকার বসবাসকারী কলেজ ছাত্র সোহেল রানা (২২) বললেন, এই গ্রামের ছেলে আমি এই গ্রামেই আমি লালিত-পালিত। জন্মের পর থেকে এই রাস্তাটি আজও পর্যন্ত উন্নয়নের কোন ছোঁয়া পড়েনি। অবশেষে এই ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ার কারণে আমাদের চলাচলে এখন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, মুজিববর্ষে আমাদের এই সড়কটি অবশ্যই নির্মাণ করে দেবেন জনপ্রতিনিধিগণ।
কৃষক মোঃ কামাল হোসেন বলেন, আমাদের এই এলাকাটি কৃষি নির্ভর। কৃষিপণ্য এই সড়ক দিয়ে বাজারে বিপণনের জন্য নিতে হয়। দুর্ভাগ্যজনক এখন কোন মত যেতে পারলেও যখন বর্ষাকাল হয় তখন আমাদের এই রাস্তায় চলাচল করা যায় না। একদিকে যেমন উৎপাদিত কৃষিপণ্য আমরা বাজারজাত করতে পারি না ফলে আমরা ন্যায্যমূল্য পাইনা।  তেমনি আমাদের ছেলে মেয়ে বিয়ে শাদী এবং কেউ অসুস্থ হলেও তাকে হাসপাতালে নিতেও আমরা পারিনা। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ে বয়স্কলোক, অসুস্থব্যাক্তি এবং শিশু ও ছাত্র-শিক্ষক।
এসকল কিছু বিবেচনা করে আমরা দাবি করছি আমাদের এলাকার বরইচারা থেকে জনাব আলী মোড় পর্যন্ত ১.২০ কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণ ও একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণ করে দেওয়া হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net