June 15, 2026, 1:46 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
শূন্যরেখায় মানবিক সংকট/ অসুস্থ ১২ জন, জ্বরে কাতর আড়াই বছরের শিশু; ৩ দফা পুশইনের অভিযোগ দর্শনা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির সতর্কতায় ব্যর্থ মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামানো/অস্বস্তিকর সত্যের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশার সমীকরণ কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় অবস্থান বিজিবি–বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন: ১১ সিদ্ধান্তে শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-ভারত জনগণের সম্পর্ক আমার একমাত্র অগ্রাধিকার: দীনেশ ত্রিবেদী তিন লাল কার্ডের নাটকীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকোর প্রস্তাবিত বাজেটে ফিরল অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাজেট কমলেও এগোচ্ছে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’, বাস্তবায়ন হবে ৭ বছরে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময়সূচি ঘোষণা

জ্ঞান ফিরেছে ৫ জনেরই, স্থানীয় পাউডারের শরবত খেয়েছিল তারা

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
মেহেরপুরে ওরস্যালাইন ও স্থানীয় এক ধরনের পাউডার মিশিয়ে শরবত করে খেয়ে জ্ঞান হারানো একই পরিবারের ৫ জনের সবারই জ্ঞান ফিরেছে। তারা ডাক্তারকে জানিয়েছে প্রচন্ড গরমে বাড়ির পাশের দোকার থেকে তারা ওরস্যালাইন রাসনা নামের একটি পাউডার কিনে দুটোর মিশ্রণ ঘটিয়ে শরবত বানিয়ে খেয়েছিল।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলার বলিয়ারপুর গ্রামে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহাবুব এ খোদা জানান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান ঐ গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ৮ বছর বয়সী নাতি ছেলে শানজিম রহমান রাত ৮ টার দিকে বাড়ির পাশের মেহেরাজের দোকান থেকে ওরস্যালাইন ও রাসনা পাউডার কিনে আনে। দুটোর মিশ্রণ ঘটিয়ে ৫ গøাস শরবত বানায় এবং পান করে। পান করার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ তারা সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা তাদেরকে উদ্ধার করে পাশর্^বতী জেলা চুয়াডাঙ্গার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
তারা হলেন সিরাজুল ইসলাম (৫০), তার স্ত্রী রেবেকা খাতুন (৪০), তার দুই সন্তান মৌসুমী খাতুন (২৬) ও রিফাত আলী (১৪) এবং মৌসুমির ছেলে শানজিম রহমান (৮)।
সকালে জ্ঞান ফেরে কিশোর রিফাতের। সে সাংবাদিকদের জানায় মিশ্রণটি পান করার কিছুক্ষণ পর মাথা ঝিনঝিন করে জ্ঞান হারিয়ে যায় সবার। এরমধ্যে শানজিম ও মৌসুমি খাতুনের কয়েকবার বমিও হয়।
চিকিৎসক মাহাবুব এ খোদা বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ঐ দুটোর যে কোন একটি অথবা দুটো থেকেই কোন বিষক্রিয়ার কারণেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। পর্যায়ক্রমে তাদের সবর্শেষ জন সিরাজুল ইসলামের জ্ঞান ফেরে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে। তাদেরকে আরো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালেই ভর্তি করে রাখা হয়েছে।
তারা সবাই এখন আশঙ্কামুক্ত বলে জানান চিকিৎসক।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net