August 25, 2026, 5:22 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
সারের বরাদ্দ আছে, সংকট কোথায়? দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলায় সার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার, কিন্তু কৃষকের হাতে যাচ্ছে না কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ দেবাশীষের অচেনা মৃত্যু এবং আমার অস্থির অন্তর

যানবাহন শূন্য কুষ্টিয়া শহরে সাধারণ প্রয়োজনে রিকসা চলছে

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কুষ্টিয়ায় চলমান কঠোর লকডাউনের কারণে শহরের সড়কগুলোতে অনেকটাই যানবাহন শূন্য।   এতে জরুরী প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষের একমাত্র বাহন এখন (স্থানীয় নাম) ব্যাটারিচালিত পাখি ভ্যান ও রিকশা।

এসব পাখি  ভ্যান ও রিকশায় করে সাধারণ মানুষকে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তাদের গন্তব্যে যাতায়াত করতে দেখা গেছে।

সোমবার সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়,শহরের মজমপুর, চৌড়হাঁস, সাদ্দাম বাজার, হাসপাতাল মোড়, বড়বাজার, থানা ট্রাফিক মোড়, কলেজ মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন সড়কে ব্যাটারিচালিত পাখি ভ্যান ও রিকশা চলাচল বেড়েছে। আগের সময়ে শহরে পাখি ভ্যান দেখা না গেলেও এখন দেখা যাচ্ছে। তবে সড়কে রিকশা চলাচলে ভাড়া বেশি হওয়ায় অনেকেই পাখি ভ্যান ও পায়ে হেঁটে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করছেন। এছাড়া সড়কে অল্পসংখ্যক মোটরসাইকেল চলাচল করছে।

ভ্যানচালক মেহেদী বলেন,লকডাউনের কারণে এই সড়কে ভ্যান চলছে। তবে সকাল থেকে বেশি আয় করতে পারিনি। কারন  মানুষের চলচল খুবই কম। পায়ে হেঁটে বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করছেন তারা।

তিনি বলেন কাজ না করলে সংসার চলে না।তাই করোনার ভয় নিয়েই ভ্যান চালাচ্ছি।

রিকশাচালক বাদল আলী বলেন,এই শহরে মানুষের চলাচল এখন একেবারেই কম। তাই ভাড়া হচ্ছে না।

তিনি জানান ঘরে বসে থাকার উপায় নেই। প্রতিদিনের কাজের টাকা দিয়ে সংসার চলে।

পথচারী টুটুল আলী বলেন,ব্যবসার কাজে ঘর থেকে বের হয়েছি। ভ্যান রিকশাওয়ালারা বেশি ভাড়া চাচ্ছে তাই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন তিনি।

ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ সদস্য জানান এখন ট্রাফিকের কোন ব্যাপার নেই। এখন রাস্তায় যানজট-লোকসমাগম বেশী হবার উপক্রম হলে সেখানে কাজ করছেন তিনি।

তিনি জানান শহরের অনেক মানুষকে তিনি চেনেন তারা কোন কাজ ছাড়াই রাস্তায় বের হচ্ছেন। এই প্রবণতা বন্ধ হওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net