May 31, 2026, 5:47 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে আটক ১০ জন/ অনুপ্রবেশের খবরের আড়ালে যে মানবিক সংকট দৌলতদিয়া ঘাটে বাড়ছে চাপ/ঈদ শেষে জীবিকার টানে রাজধানীমুখী মানুষ জিয়াউর রহমানের বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল: ভারতীয় হাইকমিশন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ চার মাসের শিশুকে নদীতে ফেলে নিজেও ঝাঁপ/এখনও প্রকৃত কারন জানা যায়নি যুদ্ধবন্দী ফিলিস্তিনি নারীদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা বাড়িয়েছে ইসরায়েলী সেনারা পশ্চিমবঙ্গে কড়াকড়ি, দেশে ফিরতে হাকিমপুর সীমান্তে শতাধিক বাংলাদেশির ভিড় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জামায়াতের সদস্য বহিষ্কার জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুজাহিদের বিবৃতি রামিসা হত্যা: চার্জশিটে উঠে এসেছে ভয়াবহতা

প্লাস্টিক পণ্যের কাঁচামাল রপ্তানি করে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার আয়ের স্বপ্ন

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
গত কয়েকমাসে এক কোটি ৭৬ লাখ ডলার বা ১৫৬ কোটি টাকা মূল্যের ১৩ হাজার ১৯৩ টন প্লাস্টিক শিল্পের কাঁচামাল পিভিসি ও পেট রেজিন রপ্তানি করেছে দেশে। ]ভারত, নেপাল, ইতালি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছে এসব পণ্য।
দেশ থেকে এসব রপ্তানি শুরু করেছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেঘনা পিভিসি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাটে মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে এমজিআই-এর কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। এতে প্রায় ৭০০ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্ল্যান্ট বসেছে, শুরু হয়েছে উৎপাদনও। উৎপাদিত রেজিন দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি শুরু হয়েছে।
মেঘনা গ্রুপের এ কারখানায় বিনিয়োগ করা হয়েছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। এ প্রকল্পে বড় অঙ্কের ঋণসুবিধা দিয়েছে নেদারল্যান্ডসের আইএনজি ব্যাংক। গ্রুপটির কারখানা থেকে প্লাস্টিকের মূল কাঁচামাল পিভিসি ও পেট রেজিন উৎপাদন হবে, যা আগে ছিল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, গত ২০২১-২২ অর্থবছরে প্লাস্টিকের পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তিন লাখ ২৬ হাজার টন পিভিসি আমদানি করেছে। এতে ব্যয় হয়েছে ৪৭ কোটি মার্কিন ডলার। আর পেট রেজিন আমদানি হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার টন। এতে ব্যয় হয়েছে ২৭ কোটি ডলার।
কোম্পানীটি জানায় পিভিসি রেজিনের বার্ষিক চাহিদা চার লাখ টনের বেশি। যেখানে আমাদের ক্যাপাসিটি দেড় লাখ টন। বলা যায়, আমরা ৪০ শতাংশের মতো চাহিদা পূরণ করতে পারবো। এ রেজিন দিয়ে পিভিসি পাইপ, ফার্নিচার, প্লাস্টিক শিট তৈরি করা যাবে। পেট রেজিনের ক্ষেত্রে বলা যায়, ৯০ শতাংশ চাহিদা আমরা পূরণ করতে সক্ষম হবো।
কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২০১৭ সালে এ কারখানার নির্মাণ শুরু হয়। কোভিডের কারণে কারখানা স্থাপনের কাজ কিছুটা ধীরগতি আসলেও চলতি বছর থেকে তা উৎপাদনে আসে। কারখানাটিতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
উদ্যোক্তারা দেশের চাহিদা মিটিয়ে ২০৩০ সালে ১০ বিলিয়ন টাকার প্লাস্টিক পণ্যসামগ্রী রপ্তানির স্বপ্ন দেখছেন। সেক্ষেত্রে মেঘনা গ্রুপের এই কারখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাজার গবেষণাকারী বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালে পিভিসি ও পেট রেজিন রপ্তানির বাজার ছিল প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলারের। প্রতিবছর এ দুই পণ্যের রপ্তানি বাজার পাঁচ শতাংশ হারে বাড়ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net