June 17, 2026, 2:33 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের আক্রমণ বাড়ছে, ২ সপ্তাহে কামড় ৮ জনের, মৃত্যু ১ মেসির হ্যাটট্রিকে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপ অভিযান শুরু আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় সরকার—তথ্যমন্ত্রী তীব্র ইস্যুতে সংসদে বিরোধী দলের নীরবতা: কৌশল, সীমাবদ্ধতা নাকি দায়িত্বহীনতা? হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত, কারামুক্তিতে বাধা নেই কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকের অপেক্ষায় তালাবদ্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সেবা না পেয়ে ফিরে যান গ্রামের মানুষ তদন্তে মেলেনি জামায়াত নেতার জমির দাবির সত্যতা, সামনে এলো চাঁদা দাবির অভিযোগ পুশইন-পুশব্যাক/ সীমান্তে মানবিক সংকট, কূটনৈতিক উদ্যোগই সমাধানের পথ শূন্যরেখায় তিন দিন আটকে থাকা ১২ জনকে পতাকা বৈঠকের পর ফেরত নিয়েছে বিএসএফ শূন্যরেখায় মানবিক সংকট/ অসুস্থ ১২ জন, জ্বরে কাতর আড়াই বছরের শিশু; ৩ দফা পুশইনের অভিযোগ

ইবির শিক্ষক হত্যা/ ফজলু, ২ শিক্ষকসহ ৪ বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, শরীরে ২০ বারেরও বেশী আঘাত করা হয়

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় এ অভিযোগ জমা দেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে শিক্ষিকার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিন বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এদিকে সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান প্রাথমিক জবানবন্দী দিয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য দিয়েছেন সেখানে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে নিয়েছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে বেতনসংক্রান্ত বিরোধ এবং ব্যক্তিগত ক্ষোভের বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা পুরোপুরি স্থিতিশীল না হওয়ায় বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ এখনো করা সম্ভব হয়নি।
বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং সুস্থ হলে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ কার্যালয়ে অবস্থানকালে আসমা সাদিয়া রুনার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, আসমা সাদিয়ার মরদেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সৃষ্ট ২০টির বেশি ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গেছে বলে ময়নাতদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে পুলিশ মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে স্বজনরা মরদেহটি কুষ্টিয়া শহরের বাসায় নিয়ে যান।
ময়নাতদন্ত করেন হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম। এ সময় তার সঙ্গে চিকিৎসক রুমন রহমান ও সুমাইয়া উপস্থিত ছিলেন।
আরএমও হোসেন ইমাম জানান, নিহত শিক্ষিকার গলার নিচে শক্ত আঘাতের ফলে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, যা মৃত্যুর প্রধান কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বুক, পেট, হাত ও পা–সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার মতে, আঘাতের ধরন দেখে মনে হচ্ছে ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে এবং আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে শিক্ষিকার হাতেও আঘাত লাগে। আঘাতের প্রকৃতি থেকে তীব্র ক্ষোভ বা আক্রোশের বহিঃপ্রকাশের ইঙ্গিতও পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net