May 7, 2026, 9:49 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের জন্য জমি বরাদ্দের ঘোষণা: এনডিটিভি রিপোর্ট ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক/খিস্তিখেউর নয়, রাজনীতিতে চাই সংস্কৃতি ও সংযম দেয়ালে রিকশার ধাক্কা/মেহেরপুরে রিকশাচালককে কুপিয়ে হত্যা পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক রূপান্তর: ইতিহাস, পরিচয় ও সমসাময়িক শক্তির দ্বন্দ্ব কুষ্টিয়ায় হাম উপসর্গে শিশুমৃত্যু, দেশে মোট মৃত্যু ৩১১ ভারত-বাংলাদেশের কৃষিপণ্য প্রবাহ/পরিসংখ্যান ও নীতির মধ্যে অদৃশ্য ব্যবধান অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট কুষ্টিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ নারী গ্রেফতার হামে শিশু মৃত্যুর মিছিল/অতি তর্ক ও দায় চাপানোর রাজনীতিতে ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে সমাধানের পথ সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

জাতীয় নির্বাচন/কুষ্টিয়ার ১টিসহ ৪১ প্রার্থীর ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, আইনি যুদ্ধে উত্তপ্ত রাজনীতির পিছনপর্দা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের বৈধতা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন আইনি পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পরাজিত ও অসন্তুষ্ট প্রার্থীরা নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করছেন।
এ পর্যন্ত মোট ৪১টি রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫টি বিএনপি প্রার্থীর, ১৩টি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর, ২টি জোটের শরিক দলের প্রার্থীর এবং ১টি স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-৪ আসনের একটি আবেদন রয়েছে। আবেদনকারী বিএনপির পরাজিত প্রার্থী সৈংদ মেহেদী আহমদ রুমী।
পিটিশনগুলিতে মূল অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ভোট কারচুপি, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং পদ্ধতিগত লঙ্ঘন।
হাইকোর্ট পিটিশনগুলোর প্রাথমিক শুনানি শেষে তা গ্রহণ করেছে। আদালত নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ—ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিট ও সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। আইন বিশেষজ্ঞরা এই পদক্ষেপকে প্রমাণ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন।
হাইকোর্ট এসব পিটিশনের বিস্তারিত শুনানি এপ্রিল, মে এবং জুন মাসে বিভিন্ন তারিখে করবেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতান মাহমুদ বান্না জানিয়েছেন, সাক্ষী ও প্রমাণ পরীক্ষা শেষে আদালত রায় দেবেন। তবে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় নিতে পারে।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচনে বড় ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে আদালত সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুনঃনির্বাচন বা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্ত প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করতে পারেন। হাইকোর্টের রায় চূড়ান্ত না হলে পরাজিত প্রার্থীদের সুপ্রিম কোর্টে আপিলের সুযোগ থাকবে।
বৃহত্তর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব পিটিশন শুধু আইনি লড়াই নয়—বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরীক্ষা হিসেবে দেখা হবে। ফলে দেশের রাজনৈতিক মঞ্চে দীর্ঘকাল ধরে এই বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net