October 28, 2026, 6:31 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
পদ্মার চরে কাকন-কালু পক্ষের গোলাগুলি, শতাধিক গুলির শব্দ শোনার দাবি জাল কাবিননামা তৈরির অভিযোগে কুষ্টিয়ায় আইনজীবী সহ দুই আসামির জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে প্রেরণ জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে নয়, ১১ দলের সমাবেশ হবে আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে, শর্তসহ প্রশাসনের অনুমতি মাদ্রাসায় শিশু যৌন নির্যাতন: ৯ মাসে চিহ্নিত ১০৯ , বিচার ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রোজার চার মাস আগেই বাজারে কারসাজি, তাহলে রোজায় কী হবে? খোকসায় অপহরণের সাত ঘণ্টা পর ব্যবসায়ী উদ্ধার জাহাজ কমলেও বাড়ছে পণ্য পরিবহন, পিছিয়ে কার্যকর সক্ষমতা; রেলপথের ব্যবহার, নাব্যতা ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান

আমদানি বাড়িয়েও কমানো যাচ্ছে না কাঁচামরিচের দাম

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
দেশে কাঁচামরিচ আমদানি রেকর্ড ছুঁলেও খুচরা বাজারে দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়।
আমদানিকারকরা বলছেন, ভারতেই মরিচের দাম বেশী । তাই আমদানি করা মরিচের দাম আপাতত কমছে না।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। একদিনে বন্দরে রেকর্ড পরিমাণ মরিচ প্রবেশ করেছে।
দীর্ঘ আট মাস পর গত ২৫ জুন থেকে মরিচ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয় গত ১০ জুলাই।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ আগস্ট হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ২৯টি ট্রাকে ২৩৯ টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। গত ছয়দিনে ৭২টি ট্রাকে ৬১৮ টন মরিচ এসেছে। আগে যেখানে দৈনিক ৮ থেকে ১০ ট্রাক আমদানি হতো, এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ থেকে ২০ ট্রাকে।
কুষ্টিয়া থেকে হিলি বন্দরে মরিচ কিনতে গিয়েছিলেন হুমায়ূন হোসেন আসকারী। তিনি জানান, প্রচুর আমদানি হচ্ছে, কিন্তু দাম কমছে না। দেশী ও ভারতীয় উভয় মরিচের একই দাম।
তিনি জানান, দেশীয় ক্রেতাদের কাছে ভারতীয় মরিচের চাহিদা রয়েছে।
হিলির মরিচ আমদানিকারক শাহাবুল ইসলাম জানান, ভারতের বেনারশ থেকে মরিচ আনা হচ্ছে।
তার ভাষ্য, ভারতেও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দাম বেড়ে গেছে। তিনি বলেন, “ভারতে প্রতি কেজি মরিচ কিনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ রুপিতে। তার ওপর প্রতি কেজিতে ৪০ টাকা শুল্ক গুনতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশের বাজারে ১৮০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে।
এর পরও আমাদের নষ্ট হয়ে পড়া মরিচে তাদেরকে লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানান এই ব্যবসায়ী।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাতেই মরিচ উৎপাদিত হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে বন্যা ও খরায় মরিচের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে বাজারে দেশে উৎপাদিত কাঁচামরিচের সরবরাহ কমে যায়।
কৃসি মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, সারাদেশে ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৫১৪ একর জমিতে মরিচ উৎপাদিত হয় বলে ধারণা করা হয়। এর মধ্যে ৩৫% কাচামরিচ ব্যবহৃত হয় শুকনা মরিচ উৎপাদনে। খরিফ মৌসুমে সারাদেশে ৫৮০০ একরে এবং রবি মৌসুমে ৩৭৫০০০ একর জমিতে মরিচ উৎপাদিত হয়। তবে মোট উৎপাদনের প্রায় ৮৭% রবি মৌসুমে হয়। প্রতিবছর বাজারে আসা কাঁচামরিচের পরিমাণ ৮৫৮০০ টন। চাহিদাও প্রায় একই রকম। উপাত্ত অনুযায়ী সারাদেশে উৎপাদিত মরিচের মধ্যে শতকরা ৭৯ ভাগ স্থানীয় বীজ থেকে এবং শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ অধুনা প্রচলিত হাইব্রিড বীজ থেকে উৎসারিত।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net