April 1, 2026, 10:43 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
বাড়ছে হাম, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৭৯ শিশু চিকিৎসাধীন, সতর্কতা জোরদারের তাগিদ ২৪ ঘন্টায় অবৈধভাবে মজুদ করা ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার মান হানি মামলা কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ, পুলিশ তদন্ত শুরু কলেজ শিক্ষকদের ছুটি বাতিলের উদ্যোগ: যৌক্তিকতা ও সমালোচনা—দুই দিকেই বিতর্ক বিশেষ কমিটির সভা/ ‘গণভোট অধ্যাদেশ’ বাতিল, সংসদে উঠছে না বিল আকারে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে আসছে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত/ দুর্ঘটনার পরও নিরাপত্তায় উদাসীনতা জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রীকে নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী অ্যাখ্যা আমির হামজার জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করলে পরিণতি হবে পতিত সরকারের মতো: তথ্যমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, টানা দুই দিন সূর্যের দেখা নেই

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
ঘন কুয়াশা ও মৃদু বাতাসের প্রভাবে চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। টানা দুই দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় পুরো জেলা কুয়াশার চাদরে আচ্ছাদিত। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এদিন দেশের সর্বনিম্ন বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টায় তাপমাত্রা ছিল ১১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা প্রায় ৯৭ শতাংশ। কুয়াশার কারণে আকাশ ধূসর হয়ে থাকায় সূর্যের আলো প্রায় অনুপস্থিত ছিল। পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, এটি সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
তিনি আরও বলেন, সকাল ৯টার পর অল্প সময়ের জন্য সূর্য উঁকি দিলেও তা দ্রুত মিলিয়ে যায়। তবে দুপুরের দিকে সূর্যের দেখা মিলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
তীব্র শীত ও কুয়াশায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ছিন্নমূল, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। শীত নিবারণে অনেককে খড়, পুরোনো কাপড় জড়িয়ে কিংবা খোলা জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করতে দেখা গেছে।
শীতের প্রভাবে জেলায় শীতজনিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। তীব্র ঠান্ডার কারণে সকালবেলা রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতিও তুলনামূলকভাবে কম।
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ঈদগাহপাড়ার রাজমিস্ত্রি কালাম হোসেন বলেন, “ভোরে কাজে আসতেই শরীর কাঁপতে থাকে। এত ঠান্ডা, তারপরও কাজ না করলে সংসার চলে না।”
রিকশাচালক সাইদুর রহমান জানান, শীতের কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না, ফলে যাত্রীও কমে গেছে। এতে আয় মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে।
দিনমজুর সাত্তার আলী বলেন, “সূর্যের দেখা না থাকায় শীত বেশি লাগছে। সকালে কাজে বের হওয়া খুব কষ্টের, তবুও পরিবারের জন্য যেতে হচ্ছে।”
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আকাশ পরিষ্কার হলে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে এবং কয়েক দিনের মধ্যে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমে যাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net