September 12, 2026, 3:19 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
পদ্মায় হঠাৎ প্লাবন: দুই ইউনিয়নে ৮০ হাজার মানুষ পানিবন্দি, বন্ধ ২৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দলীয় প্রতীক ও মনোনয়ন নেই, ‘বৈধ প্রার্থী’ হলে সবার অংশগ্রহণের সুযোগ থাপ্পরকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই পরীক্ষায় অসদুপায়ে ধরা ইবির সেই ছাত্রদল কর্মী গাংনীতে দর্জি প্রশিক্ষণের ভাতা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি প্রশিক্ষণার্থীদের ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, শরীরে ২০টি আঘাতের চিহ্ন, পূর্বশত্রুতার কথা বলছে পুলিশ খাতা চ্যালেঞ্জে রেকর্ড পরিবর্তন: এসএসসির মূল্যায়নব্যবস্থা নিয়ে বড় প্রশ্ন ইবির চারুকলা বিভাগে শিক্ষার্থীদের তালা, সেশনজট ও নানা সমস্যার অভিযোগ আগস্টে ৩৪৮ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি জাতীয় পরিচয়পত্রে ছবি বাদ দেওয়ার চেষ্টা, হাইকোর্টের রায়ে থামল নতুন বিতর্ক মিরপুরে টাপেন্টাডলের বড় চালানসহ গ্রেপ্তার ১

রামিসা হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ড

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা ও লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলায় চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (৭ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
রায় ঘোষণার আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, ফরেনসিক প্রতিবেদন, পারিপার্শ্বিক আলামত এবং আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে এটি একটি চরম নৃশংস অপরাধ, যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডই হওয়া উচিত।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়ার একটি ফ্ল্যাটের ভেতরে শিশুটি পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত হয়। পরে ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং লাশ গুমের উদ্দেশ্যে মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করার অভিযোগ আনা হয়।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, মাত্র ১৬ দিনের মধ্যে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও যুক্তিতর্ক শেষ করা হয়, যা বিচার বিভাগের ইতিহাসে একটি দ্রুততম নিষ্পত্তির নজির হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীদের মধ্যে ছিলেন ভুক্তভোগীর বাবা, মা, পরিবারের সদস্যরা, প্রতিবেশী, পুলিশ কর্মকর্তা, ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ও তদন্ত কর্মকর্তা। সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতকক্ষে এক শোকাবহ ও ভারী পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
সাক্ষ্যপ্রমাণে উঠে আসে, ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ফরেনসিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শিশুটির মৃত্যু ঘটে এবং মৃত্যুর আগে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল—এমন আলামতও পাওয়া যায়।
সবশেষে আদালত উভয় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net