February 15, 2026, 5:38 am

অসংখ্য অনুভূতি ও গভীর কৃতজ্ঞতা নিয়ে আজ আমরা উদ্যাপন করছি দৈনিক কুষ্টিয়া-র ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই দীর্ঘ পথচলা কেবল সময়ের হিসাব নয়—এটি বিশ্বাস, দায়িত্ব ও নিরন্তর সাধনার এক গৌরবময় ইতিহাস।
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দৈনিক কুষ্টিয়া সত্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার যে অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, আজও সেই অঙ্গীকার অটুট রয়েছে। এই পত্রিকা কুষ্টিয়ার মানুষের সুখ-দুঃখ, আশা-নিরাশা ও সংগ্রামের কথা সাহসের সঙ্গে তুলে ধরেছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরতে কখনো দ্বিধা করেনি, আবার উন্নয়ন ও সম্ভাবনার কথাও দায়িত্বের সঙ্গে প্রচার করেছে।
এই ৩৪ বছরে আমাদের পথচলা সহজ ছিল না। নানা সীমাবদ্ধতা, চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে একটি নিবেদিতপ্রাণ টিমের অক্লান্ত পরিশ্রমে। সাংবাদিক, লেখক, আলোকচিত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারী—সবার সম্মিলিত শ্রমেই দৈনিক কুষ্টিয়া আজ একটি আস্থার নাম।
সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দৈনিক কুষ্টিয়া এখন সরকার অনুমোদিত অনলাইন সংবাদমাধ্যম হিসেবেও প্রকাশিত হচ্ছে—যা আমাদের জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের মাধ্যমে আমরা আরও দ্রুত, আরও বিস্তৃত পরিসরে পাঠকের কাছে পৌঁছাতে পারছি। তবে মাধ্যম বদলালেও আমাদের মূল দর্শন বদলায়নি—সত্য, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতা।
এই শুভক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও পূর্বসূরিদের, যাঁদের স্বপ্ন ও সাহসের ওপর দাঁড়িয়ে আজকের দৈনিক কুষ্টিয়া। কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের সম্মানিত পাঠকদের—আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা ও গঠনমূলক সমালোচনাই আমাদের এগিয়ে চলার প্রধান শক্তি।
আগামীর পথে আমাদের প্রত্যাশা—দৈনিক কুষ্টিয়া মুদ্রিত ও অনলাইন উভয় মাধ্যমেই আরও আধুনিক, আরও সাহসী এবং আরও জনবান্ধব হয়ে উঠবে। মানুষের কথা বলার এই প্ল্যাটফর্ম আরও শক্তিশালী হবে, আরও বিশ্বাসযোগ্য হবে—এই প্রত্যাশাই করি।
৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দৈনিক কুষ্টিয়া-র সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।