June 13, 2026, 3:11 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামানো/অস্বস্তিকর সত্যের চ্যালেঞ্জ ও প্রত্যাশার সমীকরণ কুষ্টিয়া সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, শূন্যরেখায় অবস্থান বিজিবি–বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন: ১১ সিদ্ধান্তে শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার বাংলাদেশ-ভারত জনগণের সম্পর্ক আমার একমাত্র অগ্রাধিকার: দীনেশ ত্রিবেদী তিন লাল কার্ডের নাটকীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকোর প্রস্তাবিত বাজেটে ফিরল অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাজেট কমলেও এগোচ্ছে ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প’, বাস্তবায়ন হবে ৭ বছরে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখার নতুন সময়সূচি ঘোষণা চিকিৎসা-সেবা-বাণিজ্য/ আদ-দীন বিতর্ক প্রশ্ন তুলছে স্বাস্থ্যসেবার বাজারে রোগীর অবস্থান কোথায়? ঝিনাইদহ/যখন একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই ‘গুরুতর অসুস্থ’ হয়ে পড়ে!

সরকার ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে : প্রধানমন্ত্রী

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন সরকারিভাবে নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্য সম্মানী প্রদানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে আছেন, তাদের জন্য সম্মানী, অর্থ সহায়তা বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আমরা আর্থিক বৈষম্য কমাতে পারি। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে আমরা এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায় ও আল্লাহর রহমতে, বিএনপি সরকারের গঠনের পর আমরা ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমাদের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য। ধর্মীয় নেতারা শুধু আধ্যাত্মিক গাইড নন, তারা সমাজে নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলীর প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।”
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের পক্ষ থেকে ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি তাদের শিক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় ৪,৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারে মোট ১৬,৯৯২ জন ধর্মীয় নেতাকে মাসিক সম্মানী দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ধর্মীয় নেতাদের নেতৃত্বে নাগরিকদের নৈতিক শিক্ষা, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলী প্রসারিত হবে। তিনি সকল ধর্মের মানুষকে একত্রিত হয়ে দেশকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
“সব ধর্মের মানুষ একসাথে কাজ করবে, কেউ যেন বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো এবং একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলব।”

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net