January 28, 2026, 2:23 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দুটি বন্দর দিয়ে চাল আসায় সরবরাহ বেড়েছে, কমতে শুরু করেছে দাম ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দ্রুত সম্পন্নের কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের কুমারখালীতে কথিত কিশোর গ্যাং ‘KBZ’-এর দুই সদস্যের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া মডেল থানা থেকে ‘নিখোঁজ’ ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র, কে কি বলছেন রেকর্ড উৎপাদন, রেকর্ড মজুত—তবু চাল আমদানির দরজা খুলে রাখতে হয় সারা বছর বৃহত্তর কুষ্টিয়ার চার জেলায় ৪ সমাবেশ/নৈতিক পুনর্জীবন ও মনোভাব পরিবর্তনের আহ্বান জামাত আমীরের কম মেকআপে স্বাচ্ছন্দ্য—যে ১১টি গুণে আলাদা করে চেনা যায় এই নারীদের কুষ্টিয়ার ৪টি আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে আগ্রহ ১৬ হাজার ছাড়াল ভারতের নতুন বার্তা: বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধিশালী সম্পর্ক অব্যাহত রাখার প্রতি প্রতিশ্রুতি ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ায় কমেছে গুঁড়া হলুদের দাম

কুষ্টিয়াতে এবার রথের উৎসব নেই, নিরব জিউর মন্দির এলাকা

সাদিক হাসান রোহিদ/
গত বছরও এই দিনটিতে শহরের নবাব সিরাজু-দ্দৌলা সড়ক ছিল রমরমা ৷ শহরের প্রধান সড়ক-সরণির দু পাশে সাড়ি সাড়ি বসে যেত হাজার দোকান হাজার পসরা নিয়ে।
আসলে রথযাত্রার দিনটাই থাকে অন্যরকম। এটি হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় হলেও বাংলা ভুখন্ডে সব উৎসবই বরাবরই সবার হয়েছে। দিনটিকে শুভ বলেই ধরা হয় ৷ কিন্তু, এবারের রথযাত্রার দিনটি বড় বিবর্ণ, মলিন, করোনার দাপটে সব দোকান-পাটের ঝাঁপ বন্ধ ৷ কোনদিকেই নেই উৎসবের আমেজ। লোক সমাগম নিষিদ্ধ আছেই।
সকালে সিরাজু-দ্দৌলা সড়কে দেখা যায় দু একটা দোকান বসেছে। মুড়ি, খই, বাতাসা, ছাঁচ খাজা ইত্যাদি নিয়ে। এরকম খুঁজে পাওয়া গেল জনা দশেক মতো। হয়তো বেলা বাড়লে আরো দু’একজনের দেখা মিলতে পারে। তবে মানুষের সেই শোড়গোল নেই। উৎসব আমেজ তো নেইই।
কুষ্টিয়ার রথে যেটি দেখা যায় তা হলো এখানে ধর্মীয় রেশের পাশাপাশি পণ্য মেলা হয়। ধর্মীয় আবহাওয়াটি তার মতো করেই চলে। তবে পণ্য মেলাটি সকল ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষকে আগাগোড়াই আকর্ষিত করে। দিন ধরে নারী পুরুষ নির্বিশেষে এসব দৈনন্দিনের ব্যবহৃত পণ্য সংগ্রহ করে ঘরে ফেরে।
কথা হয় জেলার সবথেকে বড় মন্দির শহরের নবাব সিরাজু-দ্দৌলা সড়ক ঘেঁষে গড়ে উঠা গোপীনাথ জিউর মন্দিরের সভাপতি ও কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি এডভোকেট অনুপ কুমার নন্দীর সাথে। তিনি জানান বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই সবকিছু করতে হবে। মানুষের জীবন প্রথম তারপর অন্যকিছু। অনুপ জানান সাধারন ধর্মীয় বিষয়াবলী রীতিমাফিক মন্দিরেই অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন কুষ্টিয়ার এই রথ উৎসব এ এলাকার সবচে বড় উৎসব। এখানে প্রচুর লোকসমাগম হয়। উৎসব করতে গেলে বিপর্যয় নেমে আসবে।
কথা বলেন স্কুল শিক্ষিকা শর্মিলা গুহ বলেন এই উৎসবের নানান দিক রয়েছে। সবাই মিলে উৎসবে থাকার কারনে রথে মজা হয় আলাদা রকমের। এবারে করোনার কারনে তা হলো না।
সরকারী চাকুরে রবিউল হোসেন জানান প্রতি বছরই রথ থেকে তার পরিবার দৈনন্দিন প্রয়োজনের অনেক কিছু কেনাকাটা করে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net