October 27, 2026, 3:06 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে নয়, ১১ দলের সমাবেশ হবে আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে, শর্তসহ প্রশাসনের অনুমতি মাদ্রাসায় শিশু যৌন নির্যাতন: ৯ মাসে চিহ্নিত ১০৯ , বিচার ও সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ রোজার চার মাস আগেই বাজারে কারসাজি, তাহলে রোজায় কী হবে? খোকসায় অপহরণের সাত ঘণ্টা পর ব্যবসায়ী উদ্ধার জাহাজ কমলেও বাড়ছে পণ্য পরিবহন, পিছিয়ে কার্যকর সক্ষমতা; রেলপথের ব্যবহার, নাব্যতা ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ কুষ্টিয়ায় সম্মিলিত সামাজিক জোটের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান লালনের মানবতাবাদী দর্শন ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানে শেষ হলো তিন দিনের তিরোধান দিবসের আয়োজন অর্থ লেনদেনের কোন প্রশ্নই উঠে না, কুষ্টিয়া যুবদল সভাপতির সংবাদ সম্মেলন

ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিত/কে কত পেতে যাচ্ছেন মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
নির্বাচনকালীন প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, নতুন সরকার ঈদুল ফিতরের আগে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় প্রথম ধাপে দেশের ৪,৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহার এবং ৩৯৬টি গির্জা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
সরকারি ঘোষণার অনুযায়ী, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মানীর পরিমাণ ভিন্নভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মসজিদ: ইমাম – মাসে ৫,০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন – মাসে ৩,০০০ টাকা, খাদেম – মাসে ২,০০০ টাকা
মন্দির: পুরোহিত – মাসে ৫,০০০ টাকা, সেবায়েত – মাসে ৩,০০০ টাকা
বৌদ্ধবিহার: অধ্যক্ষ – মাসে ৫,০০০ টাকা, উপাধ্যক্ষ – মাসে ৩,০০০ টাকা
গির্জা:যাজক – মাসে ৫,০০০ টাকা, সহকারী যাজক – মাসে ৩,০০০ টাকা
এতে দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিয়মিত মাসিক অর্থ সহায়তা পাবেন, যা তাদের জীবিকা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সহায়ক হবে।
উৎসব ভাতা/
মাসিক সম্মানীর পাশাপাশি বিশেষ ধর্মীয় উৎসব ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা: প্রতিজন ১,০০০ টাকা, দুর্গাপূজা, বুদ্ধপূর্ণিমা, বড়দিন: প্রতিজন ২,০০০ টাকা। এই ভাতা তাদের উৎসব উদযাপনকে সহায়তা করবে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনায় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
অর্থ ও বাস্তবায়ন/
চলতি অর্থবছরে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য প্রায় ২৭.১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, ১৫ মার্চের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে উপকারভোগীদের কাছে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে।
যদি এই কর্মসূচি দেশের সব মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধবিহার এবং গির্জা-সহ সব উপাসনালয়কে অন্তর্ভুক্ত করে বাস্তবায়ন করা হয়, তবে বার্ষিক খরচ দাঁড়াবে প্রায় ৪,৪০০ কোটি টাকা। এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ১৪ মার্চ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে হবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হলেও আগামী চার অর্থবছরে ধাপে ধাপে দেশের সব মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net