November 4, 2026, 9:43 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু: বৈরী স্রোত পেরিয়ে তৈরি করবে আরেক বদলে যাওয়া বাংলাদেশ এলপিজির দাম সমন্বয় হোক, কিন্তু মানুষের জীবনকে অসমন্বিত রেখে নয় ২৮ বছরের ছাত্ররাজনীতি, ছেলের এইচএসসি পাসের পোস্ট ঘিরে আলোচনা; বিলুপ্ত চুয়াডাঙ্গা ছাত্রদলের কমিটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পাঁচ সপ্তাহের ক্ষণগণনা শুরু ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে সম্মিলিত সামাজিক জোটের মানবিক উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সন্তোষ প্রকাশ সম্মিলিত সামাজিক জোটের উদ্যোগে ডেঙ্গু সচেতনতায় ক্যাম্পেইন পাবনায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু, আহত ৩ রেল নিয়ে কথিত যশোর অঞ্চলের ছয় দফা আঞ্চলিক ভারসাম্যহীন, পদ্মা সেতুর সুবিধা কি শুধু যশোরের জন্য? রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু সচেতনতায় সম্মিলিত সামাজিক জোট ও ডা. মানিকের যুগপৎ উদ্যোগ

কুষ্টিয়াতে এবার রথের উৎসব নেই, নিরব জিউর মন্দির এলাকা

সাদিক হাসান রোহিদ/
গত বছরও এই দিনটিতে শহরের নবাব সিরাজু-দ্দৌলা সড়ক ছিল রমরমা ৷ শহরের প্রধান সড়ক-সরণির দু পাশে সাড়ি সাড়ি বসে যেত হাজার দোকান হাজার পসরা নিয়ে।
আসলে রথযাত্রার দিনটাই থাকে অন্যরকম। এটি হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় হলেও বাংলা ভুখন্ডে সব উৎসবই বরাবরই সবার হয়েছে। দিনটিকে শুভ বলেই ধরা হয় ৷ কিন্তু, এবারের রথযাত্রার দিনটি বড় বিবর্ণ, মলিন, করোনার দাপটে সব দোকান-পাটের ঝাঁপ বন্ধ ৷ কোনদিকেই নেই উৎসবের আমেজ। লোক সমাগম নিষিদ্ধ আছেই।
সকালে সিরাজু-দ্দৌলা সড়কে দেখা যায় দু একটা দোকান বসেছে। মুড়ি, খই, বাতাসা, ছাঁচ খাজা ইত্যাদি নিয়ে। এরকম খুঁজে পাওয়া গেল জনা দশেক মতো। হয়তো বেলা বাড়লে আরো দু’একজনের দেখা মিলতে পারে। তবে মানুষের সেই শোড়গোল নেই। উৎসব আমেজ তো নেইই।
কুষ্টিয়ার রথে যেটি দেখা যায় তা হলো এখানে ধর্মীয় রেশের পাশাপাশি পণ্য মেলা হয়। ধর্মীয় আবহাওয়াটি তার মতো করেই চলে। তবে পণ্য মেলাটি সকল ধর্ম-বর্ণ-জাতির মানুষকে আগাগোড়াই আকর্ষিত করে। দিন ধরে নারী পুরুষ নির্বিশেষে এসব দৈনন্দিনের ব্যবহৃত পণ্য সংগ্রহ করে ঘরে ফেরে।
কথা হয় জেলার সবথেকে বড় মন্দির শহরের নবাব সিরাজু-দ্দৌলা সড়ক ঘেঁষে গড়ে উঠা গোপীনাথ জিউর মন্দিরের সভাপতি ও কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি এডভোকেট অনুপ কুমার নন্দীর সাথে। তিনি জানান বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই সবকিছু করতে হবে। মানুষের জীবন প্রথম তারপর অন্যকিছু। অনুপ জানান সাধারন ধর্মীয় বিষয়াবলী রীতিমাফিক মন্দিরেই অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন কুষ্টিয়ার এই রথ উৎসব এ এলাকার সবচে বড় উৎসব। এখানে প্রচুর লোকসমাগম হয়। উৎসব করতে গেলে বিপর্যয় নেমে আসবে।
কথা বলেন স্কুল শিক্ষিকা শর্মিলা গুহ বলেন এই উৎসবের নানান দিক রয়েছে। সবাই মিলে উৎসবে থাকার কারনে রথে মজা হয় আলাদা রকমের। এবারে করোনার কারনে তা হলো না।
সরকারী চাকুরে রবিউল হোসেন জানান প্রতি বছরই রথ থেকে তার পরিবার দৈনন্দিন প্রয়োজনের অনেক কিছু কেনাকাটা করে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net