February 6, 2026, 11:05 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন/ গুম কমেছে, কিন্তু গণগ্রেপ্তার ও জামিন বঞ্চনা নিয়ে নতুন উদ্বেগ ক্ষমতায়নের আড়ালে বিতর্ক—ভোটের রাজনীতিতে নারী প্রশ্ন কতটা প্রান্তিক ! গঙ্গার সঙ্কুচিত স্রোত, বিস্তৃত সংকট/ দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিবেশ ও জীবিকার দ্বিমুখী চাপ রপ্তানিতে ধসের সতর্ক সংকেত: সাত মাসে আয় কমেছে ৫৬ কোটি ডলার অপেশাদার কাজে ন্যুব্জ প্রাথমিক শিক্ষকতা/ নন-প্রফেশনাল চাপেই বার্নআউটের শেষ ধাপে ৯৩ শতাংশ শিক্ষক ঋণ দিয়ে সময় কেনা/অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনৈতিক দোটানা পূর্বাচলের সরকারি প্লট বরাদ্দ/ হাসিনা ১০ বছর, টিউলিপ ৪, রাদওয়ান-আজমিনার ৭ বছর কারাদণ্ড কুষ্টিয়ায় নির্বাচনী ‘দুধ-গোসল’: নৌকার একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে উঠলেন ধানের শীষের নতুন সদস্য! আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১ নির্বাচন/কুষ্টিয়া-রাজবাড়িসহ সারাদেশে ৩৭ হাজার বিজিবির বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

চুয়াডাঙ্গায় দম্পতি খুন/ একজনের আদালতে স্বীকারোক্তি

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
গত ৪ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার গোবিন্দপুরে দম্পতি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার মিঠুন আলী (২৮) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন দামুড়হুদা সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের বিচারক মানিক দাস।
পুলিশ জানায় ইয়ার আলি ও তার স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া তিনজন আসামির কাছ থেকে তথ্য পেয়ে একই গ্রামের ঈমান আলির ছেলে মিঠুনকে আটক করা হয়। পর তাকে চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে হাজির কর হয়। মিঠুন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করলে, বিচারক মানিক দাস তার স্বীকারোক্তি রের্কড করেন। পর তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, হত্যাকাণ্ডের জট অনেকটা খুলছে। মিঠুন আদালতে স্বীকার করেছে যে সে সহ কয়েকজন মিলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরো যারা জড়িত আছে তাদেরও আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দামুড়হুদার গোবিন্দপুর গ্রামের ইয়ার আলীকে (৫৫) নিজ শয়নকক্ষের ঘরের খাটের উপর এবং তার তৃতীয় স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে (৪৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে। গত ৪ অক্টোবর তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর নিহতদের জামাতা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনকে সন্দেহভাজন উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ মামলায় ইয়ার আলীর সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার ভাতিজাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net