August 10, 2026, 10:01 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬–২০২৭’ উদ্‌যাপন বরেন্দ্র অঞ্চলে বরাদ্দ বাড়লেও মিলছে না সার, ডিলারের দোকানে সংকট—খুচরা বাজারে বাড়তি দাম গাংনীতে মাটি খুঁড়তেই মিলল ১০ ল্যান্ডমাইন, ৫ টুলবক্স; এলাকায় চাঞ্চল্য গাংনী সীমান্তে নারী-পুরুষসহ ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের, বিজিবির প্রতিরোধে ব্যর্থ ইবির জুলাই-৩৬ হলে রুমমেটদের গোপন ছবি প্রেমিকের কাছে পাঠানোর অভিযোগ, ক্ষোভ ও আতঙ্ক শিক্ষার্থীদের র‍্যাব বিলুপ্ত হয়ে এসআরবি, থাকছে নাগরিক অভিযোগের নতুন ব্যবস্থা খোকসায় বিএনপি নেতা নাফিজ আহমেদ রাজুর ওপর সশস্ত্র হামলা, গুরুতর আহত সাঈদীর ছবিতে জুতা নিক্ষেপকারীরা ‘জারজ সন্তান’: আমির হামজা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়র ৪৪ শিক্ষককে ঘিরে দেশব্যাপী গোপন তৎপরতার অভিযোগ/ তদন্তে গঠিত হলো উচ্চপর্যায়ের কমিটি মাত্র ৯১ টন ভারতীয় মরিচেই ভেঙে পড়ল বাজার/৪০০ টাকা কেজি দাম কে ধরে রেখেছিল?

কুষ্টিয়ায় ৩১ তেল পাম্প বন্ধ, মজুদ শেষ—কালোবাজারে বাড়তি দামে বিক্রি

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়ায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে জেলার ৩১টি পেট্রল পাম্পে বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে। মজুদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সোমবার (২৩ মার্চ) থেকে এসব পাম্পে পেট্রল ও অকটেন সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
News24-এ প্রচারিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, হঠাৎ বেড়ে যাওয়া চাহিদা এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় জেলার অধিকাংশ পাম্পের জ্বালানি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ফলে সোমবার সকাল থেকে একযোগে অনেক পাম্পে বিক্রি বন্ধ রাখতে বাধ্য হন মালিকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাম্পগুলোতে জ্বালানি না থাকায় মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই পাম্পে গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসছেন। কোথাও কোথাও দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চালকরা।
এদিকে সংকটের সুযোগে কালোবাজারে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, লিটারপ্রতি পেট্রল ও অকটেন ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে, যা স্বাভাবিক দামের তুলনায় অনেক বেশি।
পাম্প মালিকদের দাবি, ডিপো থেকে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে বাড়তি চাপের কারণে তা দ্রুত শেষ হয়ে গেছে।
এ পরিস্থিতিতে পরিবহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল, সিএনজি ও ছোট পরিবহনগুলো সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে। জরুরি সেবাখাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন।
পাম্প মালিকরা দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net