October 15, 2026, 3:00 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুরে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপন, পর্যবেক্ষণে ২০ হাজার যন্ত্রপাতি সমাবর্তনের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে সকল কমিটিকে নির্দেশনা উপাচার্যের কুষ্টিয়ায় জমি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি কুষ্টিয়ায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা ইসির: প্রথম ধাপের ভোট ২১ জানুয়ারি, শেষ হবে মে মাসে ডেঙ্গু: শুধু মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়, রাষ্ট্রের সক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে? কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্তে পুশইনের দুটি চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন খাতকে নতুনভাবে সাজাতে হবে: ইবি উপাচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় ‘গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা’ ইবির উন্নয়ন (৩য় পর্যায়)-১ম সংশোধিত প্রকল্পের বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ও সাইট পরিদর্শন

কুষ্টিয়ায় আবারও তৈরি হচ্ছে ভেজাল গুড়

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
একেরপর এক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা পর কিছুদিন বন্ধ ছিল কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিনারায়নপুর বাজার এলাকার ভেজাল গুড় তৈরির কারখানা। তবে আবারও কিছুদিন আগে থেকে তারা তাদের লাভজনক ভেজাল গুড় তৈরির কারখানা চালু করেছে। জানা যায়, হরিনারায়নপুর বাজারে দুইটি ভেজাল গুড় তৈরির কারখানা রয়েছে। একজন বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে ভেতরে ভেজাল গুড় তৈরি করছে। অপর জন তার মিলের পেছন দিকে ভেজাল গুড় তৈরি করছে।
 এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, এদের একাধিক সোর্স রয়েছে তাদের মাধ্যমে কোন প্রশাসনিক কর্মকর্তার বা সাংবাদিকের গাড়ি দেখলেই তিনি বাহির থেকে তালা ঝুলিয়ে পালায়।
গতবছর ৮ জুলাই এখানকার কারখানায় অভিযান চালায় র‍্যাব-১২ সিপিসি-১। কারখানায় কেমিক্যাল, চিনি, ডালডা, গুড় মিশিয়ে অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা পরিবেশে তৈরী করছিলো ভেজালগুড়।
কারখানার পাশের একটি গোডাউনে গিয়ে তাদের চোখ কপালে উঠার মতো অবস্থা! গুড়ের কারখানায় চিনির গোডাউন! ১২৫ বস্তা চিনি, ১৫ বস্তা আটা ও ৩৪ কোলা গুড় একটি ঘুটঘুটে অন্ধকার কক্ষে রাখা হয়েছে! সেসব গুড়ের মধ্যে পোকা কিলবিল করছিলো। তখন সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় গুড়ের কারখানা মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন আদালতের হাকিম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইসাহাক আলী।
অন্য কারখানায় গিয়ে দেখা যায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কেমিক্যাল, চিনি, ডালডা, গুড় মিশিয়ে তৈরি করছে ভেজাল কুশুরের গুড়। সেখানে বসা ম্যানেজার জানান, ভাই অনেক দিন বন্ধ করে রাখা হয়েছিল। নতুন করে চালু করা হয়েছে। আপনারা নিউজ করবেন না। এটা আমার অনুরোধ।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার জুবায়ের হোসেন চৌধুরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভেজালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খাদ্যে ভেজালকারি কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net