August 24, 2026, 1:59 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় ফিরল দেবাশীষ ও স্ত্রী-সন্তানের নিথর দেহ, রাতেই স্ব স্ব ধর্মীয় রীতিতে শেষ বিদায় সরকারি বিজ্ঞাপনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ডিএফপির কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ জরুরি রবীন্দ্র মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রতিবাদ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিব রহমান পার্থ বিয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ দেবাশীষের অচেনা মৃত্যু এবং আমার অস্থির অন্তর ছয় মাসে ১ লাখ মামলা, মব কমলেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশ্ন কলকাতার হোটেলে আগুনে নিভে গেল কুষ্টিয়ার সাবংবাদিক দেবাশিস দত্ত, তার স্ত্রী, সন্তান ও শশুর, শোকে কুষ্টিয়া

খোকসায় ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টা, সালিশে থাপ্পর দিয়ে বিদায়

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/

স্কুল ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অপরাধে জড়িত যুবককে গ্রাম্য সালিশে চরথাপ্পর দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কুষ্টিয়ার খোকসার ওসমানপুর ইউনিয়নের দেবীনগর গ্রামে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে। ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রী দেবীনগর গ্রামে তার নানা বাড়ি থাকে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ছাত্রী। ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর ঘটনার সালিশ হয় গ্রামের অসংখ্য মানুষের সামনে। লোক লজ্জার ভয়ে ছাত্রীটি নিজের ঘর থেকে আর বের হচ্ছেনা।

 

শ্লীলতাহানীর চেষ্টার শিকার ওই ছাত্রীর মা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি নিজের চিকিৎসায় ডাক্তারের কাছে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে একটু দুরে ছেলেকে জানাতে যায়। গৃহকর্তীর অনুপস্থিতি টের পেয়ে দেবীনগর গ্রামের জামালের ছেলে  শহিদুল পান খাওয়ার কথা বলে ঘরে ঢোকে। এক পর্যায়ে ছাত্রীর হাত ও মুখ চেপে ধরে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। এ সময় সে চিৎকার করলে তার মামা এগিয়ে গিয়ে ভাগ্নিকে রক্ষা করে। এরপর থেকে গ্রামেই সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার জন্য ছাত্রীর পরিবারের উপর সমাজপতিরা চাপ দিতে শুরু করে। এক পর্যায়ে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ছাত্রীর নানা বাড়ির উঠানে সালিশ বসানো হয়। অসংখ্য মানুষের উপস্থিতিতে শুনানীও হয়। এরপর শহিদুলকে চরথাপ্পর মারায় রায় ঘোষণা ও বাস্তবায়ন হয়।

অভিযুক্ত শহিদুলকেও এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী স্বীকার করেন ওই ছাত্রীর হাত চেপে ধরার সালিশ হয়েছে। তবে সালিশে শহিদুলকে চরথাপ্পর মারার বিষয় অস্বীকার করেন।

সালিশের পর ভূক্তভোগীর পরিবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা থানায় অভিযোগ নিয়ে যাওয়ার সাহস পাচ্ছেন না।

ওসমানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, শ্লীলতাহানীর ঘটনা জেনেছি। এলাকার সন্ত্রাসীরা সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাপাচা দেওয়া চেষ্টা করছে। কোন পক্ষই আমার কাছে আসেনি।

 

থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ছাত্রীর শ্লীলতাহানীর বিষয়টি তিনি শোনেন নি। তবে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেবেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net