May 2, 2026, 6:34 pm

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ধর্মীয় নেতাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন সরকারিভাবে নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্য সম্মানী প্রদানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে আছেন, তাদের জন্য সম্মানী, অর্থ সহায়তা বা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে আমরা আর্থিক বৈষম্য কমাতে পারি। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে আমরা এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায় ও আল্লাহর রহমতে, বিএনপি সরকারের গঠনের পর আমরা ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমাদের প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন শুরু করেছি। আলহামদুলিল্লাহ।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য। ধর্মীয় নেতারা শুধু আধ্যাত্মিক গাইড নন, তারা সমাজে নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলীর প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।”
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের পক্ষ থেকে ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি তাদের শিক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় ৪,৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারে মোট ১৬,৯৯২ জন ধর্মীয় নেতাকে মাসিক সম্মানী দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ধর্মীয় নেতাদের নেতৃত্বে নাগরিকদের নৈতিক শিক্ষা, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলী প্রসারিত হবে। তিনি সকল ধর্মের মানুষকে একত্রিত হয়ে দেশকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
“সব ধর্মের মানুষ একসাথে কাজ করবে, কেউ যেন বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। আমরা সবাই মিলে ভালো থাকবো এবং একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলব।”