March 13, 2026, 1:30 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
ইরান সংকটে তেলবাজার স্থিতিশীল রাখতে রুশ তেলে সাময়িক ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ দিনে ঝিনাইদহ সীমান্তে পাচারের মুখে ৬ নারী উদ্ধার, ৪ মামলা দেশ ও জনগণের স্বার্থে সংসদকে অর্থবহ করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে নতুন পরিপত্র জারি বেনাপোল দিয়ে ১৬ দিনে এলো ৫,০০৫ টন চাল: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সরবরাহ বেড়েছে, দাম স্থিতিশীল নিলুফার এ্যানীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির শোক প্রকাশ জ্বালানি সহায়তায় আগ্রহী ভারত ও চীন, এলো ভারতের ৫ হাজার টন ডিজেল প্রথম দিনেই ৩৭ হাজার নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড, আগামী মাস থেকে কৃষক কার্ড সব পরিবারই পাবে ফ্যামিলি কার্ড, আমার স্ত্রীও পাবেন: মির্জা ফখরুল ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিত/কে কত পেতে যাচ্ছেন মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা

দেশীয় চিনিকলগুলো বন্ধ হচ্ছে, বাড়ছে আমদানি নির্ভরতা, বছরে ব্যয় ৭ হাজার কোটি

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
যথন দেশীয় চিনিকলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ্একের পর এক, তখরন বাড়ছে চিনির আমদানিনির্ভরতা। আর এজন্য বছরে ব্যয় হচ্ছে ৭ হাজার কোটি টাকা। সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে বছরে চিনির চাহিদা ১৮ লাখ টন। দেশে সবশেষ কয়েক বছর গড়ে ২২ লাখ টনের বেশি চিনি আমদানি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে দিন দিন বাড়ছে চিনির ব্যবহার। বাড়ছে চাহিদাও। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকলে উৎপাদন কমছে। চলতি মৌসুমে উৎপাদন হয়েছে মাত্র ২৪ হাজার ৯শ টন, যা এর আগের বছরও ছিল প্রায় দ্বিগুণ। মূলত ব্যাপক লোকসানকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে ছয়টি চিনিকলে উৎপাদন বন্ধ রাখায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেজন্য বাড়ছে আমদানিনির্ভরতা, যা পূরণ করছেন বেসরকারি আমদানিকারকরা।
আমদানিকারকরা বলছেন, তারা ঘাটতি মেটাতে ব্রাজিল, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়া থেকে অপরিশোধিত চিনি আমদানি করেন। সুনির্দিষ্টভাবে না জানাতে পারলেও তাদের ধারণা চলতি অর্থবছর ২২ থেকে ২৪ লাখ টন চিনি আমদানি হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের হিসাবে, সবশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২১ লাখ ৫৯ হাজার টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি হয়েছিল। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আমদানি হয়েছে ২৩ লাখ ১৩ হাজার টন চিনি। কাস্টমসের হিসাবে শুধু এর আমদানিমূল্য দাঁড়ায় সাত হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি চিনি আমদানি হয়েছিল ২০১৮ সালে ২৬ লাখ টন। সে সময় ব্যয় সাড়ে সাত হাজার কোটি পেরিয়েছিল।
অন্যদিকে, এবছর চিনি আমদানির পরিমাণের সঠিক তথ্য এখনো সরকারের কোনো দপ্তরে নেই। তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন পরিশোধিত চিনির চাহিদা রয়েছে। রমজান মাসে এর চাহিদা তিন লাখ টন। দেশে গত দুই মাসে (জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি) ৪ লাখ ৮৮ হাজার টন অপরিশোধিত চিনি আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ২ লাখ ৬০ হাজার টন বেশি।
মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ শীর্ষ চিনি আমদানিকারক দেশ।
সংস্থাটির গত এক দশকে (২০১১-২০) দেশে চিনি আমদানির চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, দশকের শুরুতে দেশের বাজারে ১৫ লাখ ৩৭ হাজার টন চিনি আমদানি হয়েছিল। দশকের মধ্যে এটাই খাদ্যপণ্যটির সর্বনিম্ন আমদানির রেকর্ড। এরপর থেকে ধারাবাহিক উত্থান-পতনের ভেতর দিয়ে গেছে চিনির আমদানি বাজার। ২০১৪ সালে দেশের বাজারে প্রথমবারের মতো চিনি আমদানির পরিমাণ ২০ লাখ টন ছাড়ায়। ২০১৮ সালে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি চিনি আমদানির রেকর্ড হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net