March 23, 2026, 3:04 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ ৭—এলাকায় উত্তেজনা কুষ্টিয়ায় ৩১ তেল পাম্প বন্ধ, মজুদ শেষ—কালোবাজারে বাড়তি দামে বিক্রি কঠিন চাপে পেট্রল পাম্প—বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা, বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ সংকট চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু কুষ্টিয়া মেডিকেলে, নাতির মৃত্যুর খবরে দাদারও প্রাণ গেল জাতীয় নির্বাচন/কুষ্টিয়ার ১টিসহ ৪১ প্রার্থীর ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ, আইনি যুদ্ধে উত্তপ্ত রাজনীতির পিছনপর্দা একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতি/ মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব, নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাংলাদেশ কুষ্টিয়ায় ঈদের নামাজ “মসজিদ না ঈদগাহে”—বির্তকে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১৩ আনিস আলমগীরসহ তিন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে ফোনে প্রধানমন্ত্রীর ঈদের শুভেচ্ছা জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী, বাড়তি মর্যাদায় ঈদের প্রধান জামাত দৌলতদিয়া ঘাটে স্বস্তির ঈদযাত্রা, নির্বিঘ্নে ঘরে ফিরছে মানুষ

চুয়াডাঙ্গায় দম্পতি খুন/ একজনের আদালতে স্বীকারোক্তি

দৈনিক কুষ্টিয়া প্রতিবেদক/
গত ৪ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদার গোবিন্দপুরে দম্পতি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার মিঠুন আলী (২৮) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন দামুড়হুদা সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের বিচারক মানিক দাস।
পুলিশ জানায় ইয়ার আলি ও তার স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া তিনজন আসামির কাছ থেকে তথ্য পেয়ে একই গ্রামের ঈমান আলির ছেলে মিঠুনকে আটক করা হয়। পর তাকে চুয়াডাঙ্গা সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে হাজির কর হয়। মিঠুন এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করলে, বিচারক মানিক দাস তার স্বীকারোক্তি রের্কড করেন। পর তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, হত্যাকাণ্ডের জট অনেকটা খুলছে। মিঠুন আদালতে স্বীকার করেছে যে সে সহ কয়েকজন মিলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরো যারা জড়িত আছে তাদেরও আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দামুড়হুদার গোবিন্দপুর গ্রামের ইয়ার আলীকে (৫৫) নিজ শয়নকক্ষের ঘরের খাটের উপর এবং তার তৃতীয় স্ত্রী রোজিনা খাতুনকে (৪৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করে। গত ৪ অক্টোবর তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর নিহতদের জামাতা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে ৯ জনকে সন্দেহভাজন উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ মামলায় ইয়ার আলীর সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার ভাতিজাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031 
© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net